উত্তরাখণ্ডে বিধ্বংসী তুষারধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা ঘিরে ধোঁয়াশা
উত্তরাখণ্ডে বিধ্বংসী তুষারধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সংখ্যা ঘিরে ধোঁয়াশা
ফিরে এসেছে ৮ বছর আগের কেদারনাথের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের দুর্বিষহ স্মৃতি। নন্দাদেবী হিমবাহ ভেঙে হড়পা বানে তছনছ হয়ে গিয়েছে উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা। এদিকে উত্তরাখন্ড প্রশাসন সূত্রে পাওয়া শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ ১৭০ জনের মধ্যে ২ জনের মৃতদেহ রাইনি গ্রামের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে খুঁজে বের করেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। ফলে ভূমিধ্বস ও হড়পা বানের জেরে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৮।

সোমবার তপোবনে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী
সূত্রের খবর অনুসারে, সোমবার উদ্ধারকার্য সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে তপোবনে পৌঁছান উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত। ১২ জন উদ্ধার হওয়া কর্মীর সাথে কথাও বলেন তিনি। সুড়ঙ্গে উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য বৃহৎ যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি মঙ্গলবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সদলবলে পরিদর্শন করেন রাওয়াত।

পাতালপথে আটকে ৩৫ কর্মী
এদিকে তুষারধসের পরেই তপোবনের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আশেপাশে থাকা একাধিক সুড়ঙ্গে আটকে পড়েন বহু কর্মী। ইতিমধ্যেই তাদের অনেককে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও গতকাল থেকেই পাতালপথে একটি সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছে ২৫ জন কর্মী। যাদের প্রাণরক্ষার জন্য যাবতীয় চেষ্টা চালাচ্ছে সেনা। সঙ্গত দিচ্ছে উত্তরাখন্ড পুলিশও, মঙ্গলবার এমনটাই জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিভেন্দ্র সিং রাওয়াত। এগিয়ে এসেছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা দল (এসডিআরএফ) ও আইটিবিপিও।

নিখোঁজ মানুষের সংখ্যায় নিয়ে ধোঁয়াশা
উত্তরাখন্ড প্রশাসনের সূত্রে জানান হয়েছে, তপোবনের জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত প্রায় ৩০ কর্মী এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ। জানা গেছে, তাঁদের অধিকাংশই লখিমপুর খেরী জেলার অধিবাসী। যদিও নিখোঁজ নাগরিকের সঠিক সংখ্যা জানানোর ক্ষেত্রে যে উত্তরাখণ্ড প্রশাসনও ধন্ধে, সে কথা স্পষ্ট ,সরকারি আধিকারিকদের মন্তব্যেই।

নিখোঁজদের পরিবারের জন্য চালু নতুন হেল্পলাইন নম্বর
অন্যদিকে দুর্যোগ মোকাবিলায় উত্তরাখণ্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্র। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার যাতে সকল তথ্য আদানপ্রদান করতে পারেন, তার জন্য নতুন হেল্পলাইন নম্বর ১০৭০ ও নতুন ওয়াটসঅ্যাপ নম্বর ৯৪৫৪৪১১০৩৬ চালু করা হয়েছে, এমনটাই জানন হয়েছে লখনৌয়ের ত্রাণদপ্তরের সূত্রে। পাশাপাশি বিপর্যয় মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে নেপাল, ভুটান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলি।












Click it and Unblock the Notifications