ডেরায় 'পিতাজি কী মাফি' মানে ধর্ষণ, সেখানে অস্ত্রশিক্ষা নিয়ে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
একনজরে দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী কী বিতর্কিত ঘটনা চলত হরিয়ানার ৭০০ একর এলাকার ডেরায়।
শুক্রবার ধর্ষণের মামলায় ধর্মগুরু দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর থেকেই তার বিভিন্ন বিতর্কিত কার্যকলাপের খবর আবারও সামনে আসতে শুরু করেছে। শুধুমাত্র ধর্ষণের মতো ঘটনাই নয়, ডেরা জুড়ে চলত নানা ধরনের সন্দেহজনক ঘটনা। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী কী বিতর্কিত ঘটনা চলত হরিয়ানার ৭০০ একর এলাকার ডেরায়।

'বাবার গুফা' আসলে কী ?
গুরমিত রাম রহিমের শয়নকক্ষকে বলা হত 'বাবার গুফা' বা গুহা। এখানে এই গুহায় বাবার জন্য ২০০ জন সেবাদাসী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩০জন সাদা বসনে থাকতেন , যাঁদের চুল ছেড়ে রাখবার নির্দেশ দেওয়া হত।

পিতাজি কী মাফি
২০০২ সালে ডেরার সাধিকাদের ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত হন গুরমিত রাম রহিম। এই মামলা চলাকালীন তদন্তে জানা যায় , মহিলাদের ক্ষমা করার নামে চলত ধর্ষণ। 'ধর্ষণ'কে এখানে 'ক্ষমা' বলা হত। প্রতীকী হিসাবে বলা হত, 'পিতাজী কী মাফি'। যাঁকে ধর্ষণ করা হতে, তাকে এই কথা বলে গুরুর শয়নকক্ষে বা গুহায় নিয়ে যাওয়া হত।

সাধিকার চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাম রহিমের ধর্ষণকাণ্ড প্রথমবার এক চিঠিতে জানান ডেরার এক সাধিকা। সেকানে লেখা ছিল কীভাবে আসতে আসতে সাধিকাদের কাছে টেনে নিতেন বাবা রাম রহিম। অভিযোগ স্বেচ্ছায় যৌনাচার না করলে রাম রহিম বলতেন ,'আমি তোমাকে এখনই এই পিস্তল দিয়ে খুন করতে পারি। তোমার লাশ এখানেই পুঁতে দেব। তোমার পরিবারের প্রতিটা সদস্য আমার অন্ধ ভক্ত। তুমি খুব ভাল করেই জানো, তাঁরা কখনই আমার বিপক্ষে যাবেন না'।

অস্ত্রশিক্ষা
ভারতীয় সেনার গোপন সূত্রের খবর ২০১০ সাল থেকেই ডেরার আস্তানায় চলত অস্ত্রশিক্ষা। অনেক প্রাক্তন সেনা কর্মীকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়ানোর কাজে ব্য়বহার করা হত বলে খবর। তবে পুলিশ, ডেরার ভিতরে কোনও অস্ত্রের চিহ্ন পায়নি বলেই জানিয়ে ছিল। কিন্তু শুক্রবারের হিংসায় ডেরা ভক্তদের হাতে অস্ত্র দেখে সেই সন্দেহ আবারও চাগাড় দেয়।

অস্ত্র চালনা
শুক্রবার ডেরা ভক্তদের তাণ্ডব ঘিরে ধুন্ধুমার অবস্থা হয় হরিয়ানায়। সেখানে বহু ডেরাকর্মীকেই অস্ত্র হাতে দেখা যায়। প্রশ্ন ওঠে নানা ধরনের।












Click it and Unblock the Notifications