লকডাউনের সুযোগ নিয়ে অনার কিলিং! তরুণীকে খুন করে গোপনে দাহ পরিবারের, পাঞ্জাব পুলিশের হাতে ধৃত তিন
১৯ বছরের তরুণীকে খুন করে গোপনে দাহ করল পরিবার, পাঞ্জাব পুলিশের হাতে ধৃত তিন
পরিবারের হাতে খুন হতে হল ১৯ বছরের এক তরুণীকে এবং পরে ওই তরুণীর দেহ গোপনে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এই ঘটনায় পাঞ্জাব পুলিশ হোশিয়ারপুরের পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লকডাউনের সুযোগ নিয়ে অনার কিলিংয়ের অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় গ্রেফতার তিন
পুলিশ গ্রেফতার করেছে মৃতার মা বনবিন্দর, কাকা সত্যদেব ও জ্ঞাতি ভাই গুরদীপ সিং, যিনি পাঞ্জাব পুলিশের কর্মী এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা শাখাতে রয়েছে। মৃতার মা বলবিন্দর গত ২২ এপ্রিল তরুণীর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং পুলিশকে জানান যে তাঁর মেয়ে জশপ্রীত কউর কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছে। বলবিন্দর আরও জানিয়েছে যে তার সন্দেহ অমনপ্রীত সিং ওরফে অমন, যিনি ভাইলান গ্রামের বাসিন্দা, তিনি তার মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার জন্য দায়ি। এই অভিযোগের একদিন পরই বলবিন্দর কউর পুলিশকে জানায় যে তার মেয়েকে গরশঙ্কর রেল স্টেশনের কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে এবং তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে।

দু’জন অভিযুক্ত পলাতক
পুলিশ তদন্তে জানতে পারে যে জশপ্রীতের সঙ্গে অমনপ্রীতের সম্পর্ক ছিল এবং তাঁর বাড়িতে চলে যান জশপ্রীত। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজে পায় এবং স্থানীয় পঞ্চায়েতের হস্তক্ষেপে তাঁকে বাড়িতে জোর করে ফিরিয়ে আনা হয়। এই অপরাধের সঙ্গে আর এক জ্ঞাতি ভাই শিবরাজ ওরফে মনি তার সঙ্গী লাল্লাও যুক্ত। কিন্তু তারা ঘটনার পর থেকেই পলাতক। হোশিয়ারপুরের গরশঙ্কর এলাকার সৌলি গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতার মা, কাকা ও ভাই তাজের অপরাধ স্বীকার করেছে পুলিশের কাছে।

পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে খুন
পুলিশ জানিয়েছে, বলবিন্দর তার মেয়েকে ২৫ ও ২৬ এপ্রিল মধ্যরাতে ঘুমের ওষুধ দেয়। জশপ্রীত ঘুমিয়ে পড়লে এরপর শিবরাজ ও তার সঙ্গী লাল্লা তাঁর গলা টিপে ধরে। তরুণী মারা যাওয়ার পর অভিযুক্ত সত্যদেব, গুরদীপ ও অন্যরা মিলে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেয়। এই ঘটনা পুলিশের দিকেও প্রশ্ন তুলেছে, কারণ লকডাউনের কার্ফু জারি থাকার পরও এ ধরনের ঘটনা ঘটে গেল।












Click it and Unblock the Notifications