মোদীর নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড এসএসপি! চান্নি-সিধুকে ISI-এর হাতের পুতুল বলে আক্রমণ বিজেপির
প্রধানমন্ত্রী মোদীর (Narendra Modi) নিরাপত্তায় (Security) গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল ফিরোজপুরের এসএসপিকে। অন্যদিকে, বুধবারের ঘটনায় পঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী চান্নির (Channi) পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস (Congr
প্রধানমন্ত্রী মোদীর (Narendra Modi) নিরাপত্তায় (Security) গাফিলতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল ফিরোজপুরের এসএসপিকে। অন্যদিকে, বুধবারের ঘটনায় পঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী চান্নির (Channi) পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস (Congress) সভাপতি সিধুকে (Sidhu) দায়ী করে তাঁদেরকে আইএসআই (ISI)-এর হাতের পুতুল বলে আক্রমণ করেছে বিজেপি (BJP)।

আইএসআই-এর হাতের পুতুল
বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘ এদিনের ঘটনার জেরে পঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করেছেন। ফিরোজপুরে সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রীর পথে বাধাকে ষড়যন্ত্র বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। বিজেপি নেতা আরও বলেছেন, এটা চরণজিৎ চান্নি সরকারের লজ্জা যারা প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সমাবেশে ভাষণ দিতে দিল না। তিনি মুখ্যমন্ত্রী চান্নি এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সিধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন এই দুজন দেশ বিরোধী শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর গণতান্ত্রিক অধিকার হরণেরও অভিযোগ করেছেন তিনি।

ক্ষমা চাওয়া উচিত পঞ্জাব সরকারের
এদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন পঞ্জাব সরকারের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগ মেনে নিয়ে দেশের মানুষের তাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত পঞ্জাব সরকারের। কংগ্রেস বরাবরই দেশের সংবিধানিক ব্যবস্থাকে অবজ্ঞা করে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

অমিত শাহের টুইট
বুধবারের ঘটনার জেরে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে পঞ্জাব সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ টুইট করে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর সফরে নিরাপত্তায় গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের ঘটনায় দায়িত্ব নির্ধারণ করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ভেঙে পড়েছে আইনশৃঙ্খলা
পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সামনের নির্বাচনে বিজেপির জোট সঙ্গী অমরিন্দর সিং বুধবারের ঘটনাকে আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়া বলে বর্ণনা করেছেন। এব্যাপারে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন। যদি কোনও সরকার পাকিস্তানের সীমান্ত থেকে ১০ কিমি দূরের এলাকায় দেশের প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার জন্য রাস্তা তৈরি করে দিতে না পারে, তাহলে তাদের ক্ষমতায় থাকায় অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রীর সাফাই
প্রসঙ্গত এদিন ভাতিন্ডা থেকে হুসেনিওয়ালায় জাতীয় শহিদ স্মৃতি সৌধে যাওয়ার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে না গিয়ে সড়ক পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু জাতীয় স্মৃতি সৌধ থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে ফ্লাইওভারে বিক্ষোভের কারণে প্রধানমন্ত্রীর কনভয় আটকে পড়ে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করার পরে প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনায় পঞ্জাব সরকার ফিরোজপুরের এসএসপিকে সাসপেন্ড করেছে। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক বলেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে যাওয়ার কথা থাকলেও, মুখ্যসচিব করোনা আক্রান্ত হওয়ার কারণে তিনি বিধি মেনেই যাননি।












Click it and Unblock the Notifications