সিধু-সংঘাত পর্ব পেরিয়ে ভোটের আগে পঞ্জাব নিয়ে কংগ্রেস কোন স্টান্সে! একনজরে সীমান্ত রাজ্যের 'হাত' শিবিরে
সিধু-সংঘাত অধ্যায় পরিয়ে নির্বাচনের আগে পঞ্জাব নিয়ে কংগ্রেস কোন স্টান্সে! একনজরে সীমান্ত রাজ্যের 'হাত' শিবিরের পরিস্থিতি
পঞ্জাবের কংগ্রেস প্রধানের পদ থেকে নভজ্যোত সিং সিধু ইস্তফা দিতেই অমরিন্দর সিং টুইটে লিখেছিলেন, সীমান্ত প্রদেশের রাজ্যের জন্য উনি( নভজ্যোত সিং সিধু) একজন ভয়ঙ্কর ব্যক্তিত্ব। উল্লেখ্য, পঞ্জাবে কংগ্রেসে সিধু বনাম অমরিন্দর সংঘাতের কেন্দ্রে বেশ কিছু ধর্মীয় ইস্যু চলে আসে। দুই নেতাই শিখ ধর্মে বিশ্বাসী হলেও, সিধু পঞ্জাবের শিখ ইস্যুতে বেশ সোচ্চার। আর সেই জায়গা থেকেই অমরিন্দরের সঙ্গে সংঘাত, অমরিন্দর পঞ্জাবের কুর্সি থেকে সরে যেতেই সিধুও আচমকা ইস্তফা দেন। দেখে নেওয়া যাক ঠিক কী কী ঘটেছে এই ইস্যুতে। আর সেই প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসের স্টান্স একনজরে।

সিধুকে বোঝানোর চেষ্টা চলছে
ছয় সপ্তাহ মতো পঞ্জাব কংগ্রেসের প্রধান পদে থাকার পর আচমকা ইস্তফা দেন নভজ্যোত সিং সিধু। প্রশ্ন উঠতে থাকে, কেন তিনি এমনটা করলেন। ইস্তফার পর সিধু টুইটে লেখেন, শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত অধিকার ও সততার লড়াই চলবে। এরপর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান পঞ্জাব কংগ্রেসের রাজিয়া সুলতানা, পরগত সিং, অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিংরা। সিধু ঘনিষ্ঠদের মতে আবেগের জেরে তিনি পদ থেকে ইস্তফা দেন। এদিকে, সিধুকে সমর্থন করে রাজিয়াও পদত্যাগ করেন। তবে গোটা বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়ার বার্তাই মূলত সিধুকে দেওয়া হয়েছে।

মূল সংঘাত এক ডিজিপিকে নিয়ে?
সিধুর ইস্তফার সম্ভাব্য কারণ কী হতে পারে তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে রয়েছে। জানা গিয়েছে, পবিত্র 'গুরুগ্রন্থ সাহিব'-এর অবমাননা তিনি মেনে নেবন না। জানা যায়স ২০১৫ সালের একটি ঘটনা এক্ষেত্রে সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। পঞ্জাবের এক ডিজিপিকে নিয়ে তাঁর ক্ষোভ। আর সই ডিজিপিকে পদ থেকে সরানো নিয়েই সরব হয়েছেন সিধু। জানা যায়, কয়েক বছর আগে হেফাজতে দুই শিখ যুবকের মৃত্যু ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থের অবমাননা ইস্যুতে ওই ডিজিপির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এদিকে, এই মামলায় জামিনে মুক্তি পান ওই ডিজিপি। এই জামিন ঘিরে সিধু কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছেন অ্যাডভোকেট জেনারেল দেওলকে। এই দুই ব্যক্তির অপসারণ নিয়েই সরব সিধু। যা শিখ সম্প্রদায়ের আবেগের সঙ্গে জড়িত। তবে চান্নি সরকার ক্ষমতায় এসে অ্যাডভোকেট জেনারেলকে নিয়ে বক্তব্য রাখলেও, ডিজিপিকে নিয়ে কোনও কথা বলেননি। ফলে ক্ষোভ বাড়ে সিধুর।

বিশ্বাস ভেঙেছেন সিধু
এদিকে, নভজ্যোত সিং সিধুর ওপর রাখা আস্থা ও বিশ্বাস তিনি নিজেই ভেঙেছেন বলে পঞ্জাবের বর্ষীয়ান নেতা সুনীল জাখর মন্তব্য করেছেন। এই জায়গা থেকে প্রশ্ন উঠছে, এমন এক পরিস্থিতিতে দলকে জোড়া লাগিয়ে ফের একবার নির্বাচনমুখী করে তুলতে কংগ্রেস কোন স্টান্স নিচ্ছে।

কংগ্রেসের স্টান্স
এদিকে কংগ্রেস এই ইস্যুতে কার্যত নিজের পার্টিলাইন ধরেই চলছে। জানা গিয়েছে, হাইকমান্ড চাইছে , সংঘাত প্রদেশ কংগ্রেস স্তরেই মিটিয়ে নেওয়া হোক। তবে তা না হলে সম্ভবত কোমর কষতে হবে সোনিয়া ও রাহুলদের। মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।












Click it and Unblock the Notifications