পাঞ্জাব বিধানসভা ভোট ২০২২: নতুন বছরের শুরুতেই বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন মোদী
পাঞ্জাব বিধানসভা ভোট ২০২২: নতুন বছরের শুরুতেই বড় চমক নিয়ে হাজির হচ্ছেন মোদী
উত্তর প্রদেশের পর এবার পাঞ্জাবে নজর দিতে শুরু করেছে বিজেপি। বিধানসভা ভোট আসন্ন প্রায়। সূত্রের খবর জানুয়ারি মাসে উত্তর প্রদেশে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই প্রথম একক ভাবে সভা করতে চলেছে বিজেপি। কারণ গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি শিরোমণি অকালি দলের সঙ্গে জোট গড়ে বিধানসভা ভোটে লড়েছিল। সেই জোট টেকেনি বেশি দিন।

পাঞ্জাবে এবার অন্য সমীকরণে লড়ছে বিজেপি। এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কারণ এবার আর শরিকি দল শরিমণি অকালি দল নেই তাদের পাশে এবার অমরিন্দর সিংয়ের হাত ধরেছে বিজেপি। উত্তর প্রদেশের পর এবার প্রধানমন্ত্রী পাঞ্জাবে নজর দিয়েছেন। নতুন বছরের শুরুতেই উত্তর প্রদেশে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে পাঞ্জাব বিজেপিতে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে তোরজোর চলছে পাঞ্জাবে।
পাঞ্জাবের ১১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে বিজেপি লড়ছে ৭০টি আসনে। অমরিন্দর সিংয়ের দল প্রার্থী দেবে ৩০ থেকে ৩৫টি আসনে। বাকি আসন তারা ভাগাভাগি করে নিয়েছে সময়ুক্ত শিরোমনি অকালি দলের সঙ্গে। কাজেই এবার পাঞ্জাবে বিজেপির হাত শক্ত করবে অমরিন্দর সিং। সেই লক্ষ্যেই কৃষি আইন বাতিলের মত বড় পদক্ষেপ করেছে মোদী সরকার। উত্তর প্রদেশ আর পাঞ্জাবের কথা মাথায় রেখেই ভোট সমীকরণ তৈরি করে ফেলেছে তারা। কারণ অমরিন্দর সিং বিজেপির কাছে শর্ত দিয়েছিলেন যদি মোদী সরকার কৃষি আইন বাতিল করে তাহলে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করবেন। শেষ পর্যন্ত েসটাই হতে চলেছে পাঞ্জাবে।
'নয়া পাঞ্জাব বিজেপিকে নাল', নতুন স্লোগান তুলেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ বিজেপির সঙ্গে নতুন পাঞ্জাব গড়ার ডাক দিয়েছেন নেতারা। এদিেক কংগ্রেসের অন্দরে দ্বন্দ্ব প্রকট হতে শুরু করছে। সিধুর সঙ্গে চান্নির বিরোধ চরমে উঠেছে। চান্নি সিধুর পছন্দ মত কোনও নেতাকেই মন্ত্রিসভায় রাখেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে সিধু প্রকাশ্যেই সরব হয়েছে। তাতে আরও অস্বস্তি বেড়েছে কংগ্রেস শিবিরে। তার উপরে অমরিন্দর সিংয়ের নতুন করে রাজনৈতিক দল গড়ায় ভোট ভাগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ কংগ্রেসের একটি বড় অংশের ভোট কেটে নিয়ে যাবে অমরিন্দর সিংয়ের নতুন দল।
২০১৭ সালের বিধান সভা নির্বাচনে ১১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে শিরোমণি অকালি দল ও বিজেপি জোট পেয়েছিল ১৮টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছিল ৭৭টি আসন আর আম আদমি পার্টি পেয়েছিল ২০ টি আসন। অর্থাৎ এবার আম আদমি পার্টিও পাঞ্জাবে শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অনেকেই দাবি করেছেন কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব এবং বিজেপির দুর্বল সংগঠনের দৌলতে আম আদমি পার্টি সরকার গঠনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। তবে বিজেপি হাল ছাড়তে রাজি নয়। সর্ব শক্তি নিয়ে নতুন বছর থেকেই পাঞ্জাবের ময়দানে নামছে বিজেপি।












Click it and Unblock the Notifications