Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

‘বিন্দি খুলে 'আল্লাহু আকবর' বলেছিলাম, তারপরও…’, ভয়ঙ্কর স্মৃতি ভুলতে পারছে না পুনের দুই পরিবার!

পহেলগাঁও হামলার দিন যত অতীত হচ্ছে, তত হামলায় হারানো মানুষ গুলোর পরিবারের কাছে সেই কালো অধ্যায় গাঢ় থেকে অতি গাঢ় হচ্ছে। কীভাবে চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাই আওড়ে চলেছেন সেই সকল পরিবারের সদস্যরা।

কাশ্মীরের পহেলগাঁও-এ সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলায় নিহত পুনের দুই বাসিন্দা কৌস্তুভ গানবোটে (৫৮) এবং সন্তোষ জগদালে (৫০)-এর মৃতদেহ বৃহস্পতিবার ভোরে শহরে পৌঁছানোর পর আবেগে ভেসে যায় গোটা পুনে। হাজার হাজার শোকাহত মানুষ তাদের শেষযাত্রায় অংশ নেন। শহরের সর্বত্র শোক ও ক্ষোভের আবহ ছড়িয়ে পড়ে।

pune

গানবোটের পুনের বাসভবনে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও বিশিষ্টজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার, বিজেপি নেতা চন্দ্রকান্ত পাতিল, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুরলীধর মোহন এবং মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী মাধুরী মিসাল।

হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া কৌস্তুভের স্ত্রী সঙ্গীতা গানবোটে এদিন কান্নাজড়িত কণ্ঠে শরদ পাওয়ারকে বলেন, "আমরা আমাদের বিন্দি খুলে 'আল্লাহু আকবর' বলতে শুরু করেছিলাম, ভেবেছিলাম ওরা ছেড়ে দেবে। কিন্তু তাও তারা গুলি করল। আমার স্বামী আর সন্তোষ দাদাকে মারল"।

এই ভ্রমণ ছিল গানবোটে ও তার স্ত্রীর জীবনের প্রথম কাশ্মীর সফর। তারা জগদালে ও তার পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন। বৈসরন উপত্যকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে আচমকা সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হন তারা। আর সেখানেই এক লহমায় বদলে যায় জীবনটা।

সঙ্গীতার বর্ণনা অনুযায়ী, "ওরা গুলি চালানোর পর আমি, সন্তোষজির স্ত্রী আর মেয়ে মিলে ঘোড়ায় চড়ে পহেলগাঁও-এর বাজারের দিকে পালিয়ে যাই। পরে একজন ক্যাব চালক পুলিশের সাথে যোগাযোগে সাহায্য করেন"। সেনা ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে ততক্ষণে কৌস্তুভ ও সন্তোষের মৃত্যু হয়ে গিয়েছিল বলেই জানান দুজনে।

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা চন্দ্রকান্ত গাডগিল বলেন, "সন্ত্রাসীরা যা করেছে তা সম্পূর্ণ অমানবিক। ভারতকে কড়া বার্তা দিতে হবে, সন্ত্রাসবাদ আর সহ্য করা যাবে না"। প্রমিলা জুরাং বলেন, "যারা এই কাজ করেছে, তাদের দেরি না করে বিচারের আওতায় আনতে হবে"।

এই হামলা কেবল দুই পরিবারকেই নয়, এরকম ২৬টি পরিবারকে আজ বিধ্বস্ত করে তুলেছে। ২৬ জনের বাড়িতেই আজ ভেঙে চুড়ে গেছে স্বপ্ন গুলো। ভাল স্মৃতির খোঁজেই প্রত্যেকে পাড়ি দিয়েছিলেন কাশ্মীর। কিন্তু সেখান থেকে তারা ফিরলেন সারা জীবন ভুলতে না পাড়া স্মৃতি নিয়ে। এই সন্ত্রাসবাদের শেষ কোথায়, আর কীভাবে, এখন এটাই শুধু জানতে চান গানবোটে ও জগদালের পরিবার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+