মসজিদ চত্ত্বরে পুজো করা যাবে না, জ্ঞানবাপি মামলায় কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
জ্ঞানবাপি মসজিদ চত্ত্বরে পুজো করা যাবে না স্পষ্ট জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশে জ্ঞানবাপি মসজিদের ভেতরে শিবমন্দির রয়েছে দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন হিন্দু সংগঠন। আদালত তাতে আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়াকে মসজিদের ভেতরে ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে সমীক্ষার অনুমতি দেয়।
সেই সমীক্ষায় হিন্দু মন্দিরের কারুকার্য দেখা গিেয়ছে মসজিদের ভেতরে। এমনকী মসজিদের মধ্যে একটি কুয়ো রয়েছে তাতে নাকি শিবলিঙ্ক রয়েছে বলে দাবি করেছিল হিন্দু সংগঠনগুলি। তারপরে তাতেই পুজো করার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু শীর্ষ আদালত সেই অনুমতি দেয়নি তাঁদের।

এলাহাবাদ হাইকোর্ট প্রথমে এই পুজোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। পরে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলাকারীরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তাতে সুপ্রিম কোর্টও এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশকেই বহাল রেখেছে। যদিও নিম্ন আদালত মসজিদের ভেতরে পুজো করার অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলিম সংগঠন। তাতেই স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত।
১৯৯৩ সালে উত্তর প্রদেশ সরকার জ্ঞানবাপী মসজিদের দক্ষিণ দিকের দরজায় পুজো করা বন্ধ করে দিয়েছিল। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের গায়েই রয়েছে সেই দরজা। তবে জ্ঞানবাপী মসজিদের ভেতরে হিন্দুদের মন্দিরের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। মসজিদ তৈরির আগে এখানে মন্দির ছিল বলে সমীক্ষায় জানা গিয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি বারাণসী আদালত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের গায়ে জ্ঞানবাপি মসজিদের দক্ষিণ দিকের দরজায় পুজো করার অনুমতি দিয়েছিল।
অযোধ্যার রায় দানের পর থেকে জ্ঞাপবাপী মসজিদ নিয়ে চাপান উতোর শুরু হয়। যেভাবে অযোধ্যায় আগে রাম মন্দির ছিল তারপরে সেখানে একেবারে মন্দিরের গায়ে বাবড়ি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল বলে সমীক্ষায় প্রমাণ পায় আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া। তারপরেই অযোধ্যার ঐতিহাসিক রায়দান হয়। রামমন্দিরের দরজা এখন সকলের জন্য খুলে গিয়েছে। তারপরেই জ্ঞানবাপী মসজিদের ভেতরে মন্দির রয়েছে দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয় হিন্দু সংগঠনগুলি।












Click it and Unblock the Notifications