নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবিতে অসমে বিক্ষোভ
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবিতে অসমে বিক্ষোভ
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে প্রত্যাহারে দাবিতে এবার বিক্ষোভ শুরু অসমে। শুক্রবার কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতি বা কেএমএসএস সহ একাধিক সংগঠন এদিন এই বিলের বিরোধিতায় রাস্তায় নামে।

প্রতিবাদের মুল সুর নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাহার
এদিন এই বিল বিরোধী বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল প্রত্যাহারের দাবিতে শ্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষোভকারীদের। প্ল্যাকার্ড গুলিতে লেখা শ্লোগানে প্রতিবাদের মূল সুরই ছিল স্থায়ীভাবে এই সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট বিলের প্রত্যাহার।

কেএমএসএস নেতা অখিল গোগোইয়ের বক্তব্য
কৃষক মুক্তি সংগ্রাম সমিতির নেতা অখিল গোগোই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সামনে বলেন, "আমরা এই বিলটি কখনই মেনে নেব না। এই বিলটি পাস হলে আসাম ও উত্তর-পূর্বের মানুষের সমস্ত রাজনৈতিক অধিকার ধ্বংস হয়ে যাবে। এটি অসাংবিধানিক এবং সম্পূর্ণরূপে সাম্প্রদায়িক একটি বিল। তাই উত্তর-পূর্ব ভারতের স্বার্থ বিরোধী এই বিলটি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করা উচিত।"

রাজ্যসভায় অমিত শাহের বক্তব্য
এদিকে গত বেশ কয়েক মাসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন সংগঠনকে নাগরিকত্ব বিলের বিরোধিতায় বেশ কয়েকটি বিক্ষোভ কর্মসূচীও পালন করতে দেখা যায়। এর আগে বুধবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও রাজ্যসভায় জোরদার সওয়াল করতে দেখা যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন, খ্রিস্টান এবং পার্সী শরণার্থীরা,যারা পাকিস্তান, বাংলাদেশ বা আফগানিস্তানে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্যের শিকার তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব গ্রহণের সুবিধার্থে এই বিলের বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

চলতি বছরেই পাস এই ‘বিতর্কিত’ নাগরিকত্ব সংশোধন বিল
অন্যদিকে এই বছরের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখ লোকসভায় পাস হয় নাগরিকত্ব সংশোধন বিল ২০১৬। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ এর আগে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে মুসলিম ছাড়া অন্যান্য ধর্মের যে সমস্ত মানুষেরা ভারতে এসেছিলেন তাদের নাগরিকত্ব প্রদানের উদ্দেশ্যেই মূলত এই বিলটি পাস করানো হয়।












Click it and Unblock the Notifications