জমি অধিগ্রহণে সমস্যা, বাধা পাচ্ছে কয়লা খনি বড় করার কাজ
জমি অধিগ্রহণে সমস্যা, বাধা পাচ্ছে কয়লা খনি বড় করার কাজ
কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী, ২০২২ সালে দাঁড়িয়েও শক্তি উৎপাদনে ভারতের প্রথম ভরসা সেই কয়লা। দিনে দিনে জনসংখ্যা বাড়ছে, বিশ্বায়নের প্রভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে শক্তির চাহিদা। কাজেই কয়লা উৎপাদন বাড়াতে তৎপর হচ্ছে প্রশাসনও৷ কিন্তু সরকার চাইলেই কি আর সবটা হয়? কয়লাখনির সম্প্রসারণের জন্য প্রচুর জমি অধিগ্রহণ দরকার। আর এই নিয়েই প্রতিবাদে নেমে পড়েছেন জমি মালিকরা৷

ছত্তিসগড়ে কয়লা খনি বাড়ানোয় জমি সমস্যা!
ছত্তিসগড়ে এশিয়ার অন্যতম বড় কয়লাখনির দায়িত্বে রয়েছে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড। সেখানের বাসিন্দারাই অভিযোগ তুলেছেন সংস্থাটির বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সংস্থার কিছু কর্মচারী জানিয়েছেন, গত কিছু সপ্তাহে ওই অঞ্চল ছেড়ে দিতে রাজি হননি জমি মালিকরা।

গ্রীষ্ম এলে বিদ্যুৎ এর চাহিদা বাড়ে, বাড়ে কোলের চাহিদাও!
সাধারণত গোটা গ্রীষ্মজুড়ে দেশে বিদ্যুৎ তথা শক্তির চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে। এদিকে কোল ইন্ডিয়ার আমদানির পরিমাণও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফলত যা হওয়ার তাই, এপ্রিলের শুরু থেকেই ভাঁড়ার শূন্য হতে শুরু করেছে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির৷ অবস্থা এতটাই খারাপ যে, অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনকারী সংস্থা থেকে শুরু করে সিমেন্ট প্রস্তুরকারক ফ্যাক্টরি, প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে ইতিমধ্যেই জেনারেটর পাঠিয়ে দিয়েছে কোল ইন্ডিয়া৷

একাধিক এলাকায় জমিঅধিগ্রহণ সংক্রান্ত আন্দোলন!
সূত্রের খবর, ছত্তিসগড়ের কুসমুন্ডাতে তো বটেই, গেভরা এবং ডিপকা অঞ্চলেও চলছে প্রতিবাদ। গত কিছু সপ্তাহ ধরেই এই প্রতিবাদ চলছে। এই ইস্যুতে কোল ইন্ডিয়া জানিয়েছে আন্দোলনকারীদের চাকরি দেওয়া সহ সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখছে তারা। আন্দোলনকারী, স্থানীয় প্রশাসন, উভয়ের সঙ্গেই কথা বলছে তারা। তাদের আশা, শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হবে৷

পশ্চিমবঙ্গের দেওচা পাচামিতে জমি অধিগ্রহণে সমস্যা
প্রসঙ্গত কয়লার জোগানে শঙ্কট দেশে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে৷ ইউক্রেন ও রাশিয়ার যুদ্ধ এই শঙ্কট কে কয়েকগুণ বাড়িয়েছে৷ সম্প্রতি দোশের কয়লা বন্টনের দায়িত্বে থাকা সংস্থা জানিয়েছে তারা সারা দেশে অতি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলিকে আগে কয়লা সরবরাহ করছে অন্য সেক্টরগুলির তুলনায়৷ এই জমি অধিগ্রহণ সমস্যা যে দেশের কয়লা শঙ্কটের আগুনে ঘৃতাহুতি দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের দেওচা-পাচামিতেও একইভাবে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছে৷ যা সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে তৃণমূল সরকার। এমনকি শেষ পর্যন্ত রাজ্য সরকার বলতে বাধ্য হয়েছে যে স্থানীয়দের অনুমতি ও ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও জমি অধিগ্রহণ হবে না।












Click it and Unblock the Notifications