সোনভদ্র নিয়ে যোগীর প্রস্তাব ফেরালেন প্রিয়ঙ্কা! জল বিদ্যুৎ ছাড়াই রাত কাটল দলের কর্মীদের সঙ্গে
সারারাত জল ও বিদ্যুৎ ছাড়াই মির্জাপুরের চুনার দুর্গের গেস্ট হাউসে রাত কাটালেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।
সারারাত জল ও বিদ্যুৎ ছাড়াই মির্জাপুরের চুনার দুর্গের গেস্ট হাউসে রাত কাটালেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। সোনভদ্রে যাওয়ার পথে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বাধা দেয় উত্তর প্রদেশ প্রশাসন। তাঁকে আটক করা হয়। বারানসী ফিরে যেতে বলা হয়। কিন্তু রাজি না হওয়ায় মির্জাপুরের গেস্ট হাউসে রাখা হয়। অভিযোগ সারা রাত সেখানে বিদ্যুৎ কিংবা জল ছিল না। তবে সকাল হতেই তা চলে আসে।

সোনভদ্রে তিনি যাবেনই, জানিয়েদিলেন প্রিয়ঙ্কা
উত্তর প্রদেশের সরকারি আধিকারিকরা চুনার দুর্গের গেস্টহাউসের প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কথা বলেন। যদিও সরকারি কোনও প্রস্তাবেই তিনি রাজি হননি। ১৪৪ ধারা জারির কথা মেনে নিয়েও তিনি বলেন, তাঁকে এবং অপর একজনকে গিয়ে যেতে সোনভদ্রের গ্রামে। যেখানে জমি বিবাদে ১০ আদিবাসীর মৃত্যু হয়েছিল।
কংগ্রেস নেত্রী জানিয়েছেন, বারানসী পুলিশের এডিজি অন্য সরকারি আধিকারিকদের নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। সময়টা হবে রাত ১২ টার আশপাশে। তবে শোনভদ্রের পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা না করেই তাঁকে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। যদিও সেই প্রস্তাবে তিনি রাজি হননি বলে জানিয়েছেন। তবে কেন তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, সেই প্রশ্নের সদুত্তর মেলেনি বলেও জানিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা। তাঁকে হেফজতে নেওয়ার কোনও কাগজও দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী কংগ্রেসের তরফে পূর্ব উত্তর প্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত।
প্রিয়ঙ্কা গান্ধী জানিয়েছেন, নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝতে পেরেছেন, তাঁর গ্রেফতার অবৈধ। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী জানিয়ে দিয়েছেন, প্রভাবিত পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা না করে তিনি কোনওভাবেই
ফিরে যাবেন না।
|
প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কথা সরকারি আধিকারিকদের
প্রিয়ঙ্কা গান্ধী একটি ভিডিও শেয়ার করছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাতে প্রশাসনির আধিকারিকরা তাঁর সঙ্গে চুনার দুর্গ থেকে কথা বলে বেরিয়ে যাচ্ছেন। কংগ্রেস কর্মীরা সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে স্লোগান দেন বলে জানা গিয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ কংগ্রেসকে
শোনভদ্রে আদিবাসীরা ৩৬ একর জমি গ্রামের প্রধান যোগ্য দত্তের হাতে তুলে দিতে না চাওয়ায় গুলি চলে। তাতে ৩ মহিলা সহ ১০ আদিবাসী মৃত্যু হয়। ঘটনায় ২৪ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন জমি দখলের জন্য যোগ্য দত্ত কমপক্ষে ২০০ জনকে নিয়ে এসেছিল। সঙ্গে ছিল কমপক্ষে ৩২ টি ট্রলি।
শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী লোকসভা কেন্দ্র বারানসীতে যান প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। সেখানের হাসপাতালে গিয়ে সোনভদ্র হত্যাকাণ্ডে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ঘটনাস্থল যাওয়ার পথে প্রায় ৮০ কিমি দূরে তাঁকে থামিয়ে দেওয়া হয়।
এদিকে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কংগ্রেসকে আক্রমণ করে বলেন, অতীতে কংগ্রেস সরকার জমি মাফিয়াদের সুরক্ষা দিয়েছে। সেইরকমই একটি ঘটনার উদাহরণ হল সোনভদ্র। জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications