প্রিয়ঙ্কার হেনস্থার ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসলেন অধীর, পাল্টা কোন জবাব বিজেপির
হাইভোল্টেজ ঘটনাবলীর স্রোত শনিবার বয়ে যায় গোটা উত্তরপ্রদেশে। কংগ্রেস নেত্রী তথা গান্ধী পরিবারের সন্তান প্রিয়ঙ্কা অভিযোগ করেন ,তাঁকে হেনস্থা করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এরপরই ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে কংগ্রেস। হাত শিবিরের তরফে একের পর এক দাবি দাওয়া তোলা হলেও, তাকে পাত্তা দিতে নারাজ বিজেপি। গোটা ঘটনাকে 'নাটক' হিসাবে দাবি করেছে বিজেপি।

অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া
প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর হেনস্থার ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসে ওঠেন বাংলার 'রবীন হুড' অধীর চৌধুরী। কংগ্রেসের এই দাপুটে নেতা জানান, 'প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর ছায়াকেও ভয় পায় উত্তরপ্রদেশ সরকার। তাই তারা চায়না যে প্রিয়ঙ্কা উত্তরপ্রদেশে আসুন, মানুষের সঙ্গে কথা বলুন, কর্মী ও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলুন। '

রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি কংগ্রেসের
দলের জেনারেল সেক্রেটারির হেনস্থার ঘটনা মেনে নিতে পারছে না কংগ্রেস। তারা দাবি করেছে, বিজেপি শাসিত যোগীরাজ্যে যেন অবশ্যই লাগু করা হয় রাষ্ট্রপতি শাসন। এর আগে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী দাবি করেন যে, উত্তরপ্রদেশে তিনি যেতেই তাঁকে পুলিশ বাধা দেয় প্রথমে। তারপর তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয় পুলিশের তরফে। এক ক্যান্সার রোগীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া প্রিয়ঙ্কার গাড়ি আটকে দিলে , তিনি সেখান থেকে নেমে স্কুটিতে যাত্রা করেন।

কোথায় যাচ্ছিলেন প্রিয়ঙ্কা ?
প্রাক্তন আইপিএস এবং সামাজিক কর্মী এসআর দারাপুরির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন প্রিয়াঙ্গা। ১৯ ডিসেম্বর লখনউয়ে বিক্ষোভের জেরে হিংসার ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি।৭৬ বছর বয়সী ক্যান্সারের রোগীকে দাঙ্গার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পুলিশ তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে বাধা দেয় প্রিয়াঙ্কাকে।

বিজেপি কী বলেছে?
এদিকে, গোটা ঘটনায় প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর দিকেই তোপ দেগেছেন যোগী সরকারের মন্ত্রী সিদ্ধার্থ নাথ সিং। তিনি বলেন, মিডিয়ার নর কাড়তেই প্রিয়ঙ্কা এমন কাণ্ড করছেন। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে কোনও রকমেরঅভিযোগ মানতে রাজি নয় যোগী সরকার।












Click it and Unblock the Notifications