Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

হাহাকারের মধ্যেই ভ্যাকসিন নিয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ! ফাঁস রিপোর্টে

গোটা দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার মারণ ভাইরাস। প্রত্যেকদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ গোটা দেশে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থায় চিকিৎসকরা বলছেন যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ করতে হবে। কিন্তু কোথায় ভ্যাকসিন। গোটা দেশেই ভ্যাকসিন নিয়ে চা

গোটা দেশে চোখ রাঙাচ্ছে করোনার মারণ ভাইরাস। প্রত্যেকদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ গোটা দেশে আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থায় চিকিৎসকরা বলছেন যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ করতে হবে। কিন্তু কোথায় ভ্যাকসিন। গোটা দেশেই ভ্যাকসিন নিয়ে চাহদা রয়েছে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

বিশেষ করে বাংলাতে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে, সরকারি হাসপাতালে ভোররাত থেকে দাঁড়িয়েও মিলছে ভ্যাকসিন। এই অবস্থায় সামনে আসল চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট কার্যত গোটা দেশেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

যেখানে ভ্যাকসিনের জন্যে দেশজুড়ে হাহাকার চলছে সেখানে দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে ব্যাপক হারে টিকা নষ্ট করছে। এমনটাই রিপোর্ট সামনে আসছে।

গত একমাসে দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলি প্রাপ্ত ভ্যাকসিনের প্রায় ৮৩ শতাংশ ব্যবহারই করতে পারেনি। এমনটাই জানা যাচ্ছে কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যে। এক সংক্রান্ত একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে।

যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, মে মাসে গোটা দেশে মোট ৭.৪ কোটি টিকা উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে ১.৮৫ কোটি টিকা বরাদ্দ করা হয়েছিল বেসরকারি হাসপাতালগুলির জন্য। এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বেসরকারি হাসপাতালগুলি কিনেছে মাত্র ১ কোটি ২৯ লক্ষ ভ্যাকসিন।

এই ১ কোটি ২৯ লক্ষ ডোজের মধ্যে আবার বেসরকারি হাসপাতালগুলি ব্যবহার করেছে মাত্র ২২ লক্ষ। অর্থাৎ মোট প্রাপ্ত ভ্যাকসিনের মাত্র ১৭ শতাংশ ব্যবহার করতে পেরেছে বেসরকারি হাসপাতালগুলি। বাকিগুলি নষ্ট!!!

চিকিৎসকদের একাংশের মতে, প্রথমদিকে ভ্যাকসিন আসলেও অনেক মানুষই তা নেননি। আতঙ্কেই অনেকে ভ্যাকসিন নিতে চাননি। শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, সরকারি হাসপাতালে টিকার দাম কম। তাই বেসরকারি হাসপাতালে অধিক দাম দিয়ে টিকা নিতে চাইছেন না সাধারণ মানুষ।

ফলে অনেকেই সকাল হলে সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের জন্যে লাইন দিয়েছন। এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে এসে নয়া টিকা নীতির ঘোষণা করেছেন। যেখানে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, ২১ জুন থেকে দেশের প্রত্যেকে বিনামূল্যে করোনা প্রতিষেধক পাবেন।

পাশাপাশি বেসরকারি ক্ষেত্র থেকেও টিকা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। সে জন্য ইতিমধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালে একাধিক টিকার দাম বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্র। শুধু তাই নয়, ১৫০ টাকার বেশি সার্ভিস ট্যাক্স নেওয়া যাবে না বলেও নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

আর এরপরেই বেসরকারি হাসপাতালে কোভিশিল্ড মিলছে ৭৮০ টাকায়। রাশিয়ার স্পুটনিক মিলছে ১ হাজার ১৪৫ টাকায়। এবং কোভ্যাকসিন মিলছে ১.৪১০ টাকায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই যে বেসরকারি সংস্থাগুলিতে টিকার লক্ষ লক্ষ ডোজ নষ্ট হল তার দায় কার?

সরকারের টিকা নীতি অনুযায়ী এই মুহূর্তে কেন্দ্র সরকার ৫০ শতাংশ, রাজ্য সরকার ২৫ শতাংশ এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি ২৫ শতাংশ টিকা উৎপাদকের কাছ থেকে কেনে। আগামী ২১ জুন থেকে সেই নীতিতে বদল আনছে কেন্দ্র। ২১ জুনের পর কেন্দ্র সরকার সরাসরি কিনবে ৭৫ শতাংশ টিকা।

রাজ্য সরকারকে কোনও টিকা কিনতে হবে না। বাকি ২৫ শতাংশ টিকা যাবে বেসরকারি সংস্থার হাতে। ফলে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরগুলির উপর চাপ কমবে। সেখানে দাঁড়িয়ে বেসরকারি হাসপাতালগুলিকেও নিশ্চিত করতে হবে যে টিকা নষ্ট হবে না তাঁদের থেকে।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+