সরকারকে চাপ না দিয়ে নিউটাউনের হাসপাতাল নিজেরাই তৈরি করছে পিপিই
সরকারকে চাপ না দিয়ে নিউটাউনের হাসপাতাল নিজেরাই তৈরি করছে পিপিই
করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসার সময় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা গিয়ার পরার প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে তা সরবরাহ না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা। আর তাই মাস্ক, গ্লাভস ও পুরো শরীর ঢাকার স্যুট তৈরি করার জন্য কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতাল সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাপাতাল চত্ত্বরেই তীঁরা নিজেদের সেলাই ইউনিট খুলবে।

সুতির পিপিই তৈরি হচ্ছে চার্নকে
নিউটাউনের চার্নক হাসপাতালের সেলাই ইউনিটের চারজন সদস্য সুতির কাপড়ের, যেগুলি প্রাথমিকভাবে সার্জারির গাউনের জন্য ব্যবহৃত হয়, একশোরও বেশি সুরক্ষা স্যুট তৈরি করছেন। হাসপাতালের পরিচালন কমিটির ডিরেক্টর প্রশান্ত শর্মা বলেন, ‘যখন দেখা গেল অন্য জায়গা থেকে পিপিই সরবরাহ কঠিন তখন নিজেরাই পিপিই বানিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমরা চাইনি এই নিয়ে সরকারের উপরে চাপ বাড়াতে।' তিনি জানান এই প্রোটেকটিভ স্যুটগুলি পুনর্ব্যবহারযোগ্য হলেও তাঁরা একবারের বেশি সেগুলি ব্যবহার করছেন না। তিনি জানাচ্ছেন, এই পোশাক বেশ আরামপ্রদ ও নরম এবং এগুলি পরলে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।

সাতদিন আগে নিজেরাই পিপিই তৈরি করা চালু করে
প্রশান্ত শর্মা বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে একজোড়া থ্রি-প্লাইমাস্ক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বিলি করেছি। সাত দিন আগে থেকে আমরা পিপিই তৈরি করা শুরু করে দিয়েছি। গরম ও আর্দ্রতার কথা মাথায় রেখে এমন ভাবে এগুলি তৈরি করা হচ্ছে যাতে পোশাকটা পরে স্বচ্ছন্দে থাকা যায়।' দর্জিদের প্রশংসা করে এক শীর্ষ কনসালট্যান্ট বলেন, ‘এই পিপিইগুলি টেকসই এবং পুরো শরীরকে সুরক্ষা দেয়। আমি এটা পরে খুবই নিরাপদ বোধ করি।'

এএমআরআইকে সরকার দিচ্ছে পিপিই
এদিকে সল্টলেকের এএমআরআই-এর এক শীর্ষ কর্মী বলেন, ‘আমাদের দৈনিক ১২০টি করে পিপিই প্রয়োজন। সেই সঙ্গে দরকার এন৯৫ মাস্ক। কিছু আমরা ভেন্ডরের থেকে নিচ্ছি। রাজ্য সরকার দিচ্ছে স্যুট ও মাস্ক। আমাদের সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে সরবরাহ ঠিক থাকবে।'












Click it and Unblock the Notifications