দীপাবলির আগে নিয়োগ মেলা শুরু প্রধানমন্ত্রীর, নিয়োগপত্র পাবেন ৭৫ হাজার প্রার্থী
আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ করতে নিয়োগ ড্রাইভ আনতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ নাগরিককে চাকরি দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি ড্রাইভ রোজগার মেলা ২২ অক্টোবর চালু করবেন বলে জানা গিয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ৭৫,০০০ প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেবেন প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে।

আগামী দেড় বছরে ১০ লক্ষ কর্মী নিয়োগ
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দেশের যুব সম্প্রদায়ের সুযোগ দিতে ও নাগরিক কল্যান নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুসারে সমস্ত মন্ত্রক ও বিভাগ থেকে শূন্যপদগুলো পূরণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। সারা দেশ থেকে নির্বাচিত প্রার্থীদের ভারত সরকারের ৩৮টি মন্ত্রক ও বিভাগে যোগদান করানো হবে। প্রার্থীদের গ্রুপ-এ, গ্রুপ-বি, গ্রুপ-সি সহ বিভিন্ন বিভাগে যোগদান করানো হবে বলে প্রধানমন্ত্রী দফতর থেকে প্রকাশ করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। UPSC, SSC এবং রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মতো নিয়োগকারী সংস্থাগুলির মাধ্যমে করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

লোকসভা নির্বাচনের আগে নয়া কৌশল!
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুন মাসে ১০ লক্ষ চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আগামী ১.৫ বছরে এই চাকরি দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃতীয় মেয়াদে আসার জন্য এনডিএ সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে বিরোধীরা মনে করছেন। বেকারত্ব বর্তমানে ভারতে জ্বলন্ত সমস্যা। বিরোধীরা বার বার বেকারত্ব নিয়ে মোদী সরকারকে আক্রমণ করছে। শহরাঞ্চলে যুবকদের বেকারত্বের হার ২০ শতাংশের ওপরে চলে গিয়েছে বলে একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে। রাহুল গান্ধী তাঁর ভারত জোড়ো যাত্রায় দেশের বেকারত্বের হারের ওপর জোর দিয়েছেন।

কোভিড পরবর্তী সময়
কোভিডের সময় দেশের বেকারত্বের হার বেড়ে যায়। কোভিড পরবর্তী সময়ে বেসরকারি সংস্থাগুলো নিজেদের সামলে নেয়। দ্রুত কর্মী নিয়োগ পদ্ধতি চালু করে। এই পরিস্থিতি সরকারি খাতে নিয়োগ একটি রাজনৈতিক কৌশলগত দিক বলেই মনে করা হচ্ছে।

অমিত শাহের প্রতিক্রিয়া
জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘোষণার পরেই টুইট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি লেখেন, 'নতুন ভারতের ভিত্তি হল যুবশক্তি, তাদের ক্ষমতায়নের জন্য নরেন্দ্র মোদী অবিরাম কাজ করে চলেছেন। আগামী দেড় বছকে বছরে সমস্ত সরকারি দফতর এবং মন্ত্রকগুলিতে মিশন মোডে ১০ লক্ষ নিয়োগের জন্য মোদী ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণা যুবদের মধ্যে নতুন আশা এবং আস্থা ফিরিয়ে আনবে।' কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং ভাতা সংক্রান্ত বার্ষিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০১৯ সালে ১ মার্চ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের ৪০.৬৬ লক্ষ পদ ফাঁকা ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন বিভাগে ২২.৬৯ শতাংশ পদ শূন্য ছিল বলে জানা যায়।












Click it and Unblock the Notifications