মধ্যবিত্তের চাপ বাড়িয়ে এপ্রিলেই দাম বাড়ছে প্যারাসিটামল সহ ৮০০ জীবনদায়ী ওষুধের
গত কয়েকদিনে লাগাতার বৃদ্ধি হয়েছে পেট্রোল-ডিজেলের! একই সঙ্গে বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দামও। এবার মধ্যবিত্তের উপর চাপ বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে (Essential medicines Price Hike) ওষুধেও। এপ্রিল থেকে অন্তত ৮০০-এরও বেশি জরুরি ওষুধের
গত কয়েকদিনে লাগাতার বৃদ্ধি হয়েছে পেট্রোল-ডিজেলের! একই সঙ্গে বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দামও। এবার মধ্যবিত্তের উপর চাপ বাড়িয়ে দাম বাড়তে চলেছে (Essential medicines Price Hike) ওষুধেও। এপ্রিল থেকে অন্তত ৮০০-এরও বেশি জরুরি ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে।
আর তা একধাক্কায় ১০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। যে সমস্ত ওষুধগুলির দাম বাড়বে সেগুলির মধ্যে রয়েছেন জ্বর, হার্ট সংক্রান্ত রোগ, হাই ব্লাড প্রেশার এবং অ্যানোমিয়া রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার হয় এমন ওষুধ এই মূল্যবৃদ্ধির তালিকায় রয়েছে। এমনিতেই এই সমস্ত ওষুধের দাম সাধারণের তুলনায় অনেক বেশী।
কার্যত এই ওষুধ কিনতে সর্বশান্ত হতে হয় গরীব মানুষকে। এই অবস্থায় আবারও দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে মদধ্যবিত্তের উপর নিঃসন্দেহে চাপ বাড়বে বলেই মত ওয়াকিবহালমহলের।

এপ্রিল থেকেই বাড়ছে দাম-
এমনকি আগামী মাস থেকেই প্যানকিলার এবং অ্যান্টি বায়োটেক যেমন প্যারাসিটআমল, Phenytoin Sodium, Metronidazole মতো জরুরি ওষুধের দামও অনেকটাই বাড়বে বলে জানা যাচ্ছে। জানা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে ওষুধের দাম বৃদ্ধিতে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। অন্তত যে সমস্ত scheduled drugs- রয়েছে সেগুলি মূল্যবৃদ্ধি হবে। National Pharma Pricing Authority (NPPA) জানাচ্ছে, পাইকারি মূল্য সূচকে বার্ষিক এই পরিবর্তনের হার ইতিমধ্যেই সরকারি ভাবে জানানো হয়ছে। সমস্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করেই অন্তত ১০ শতাংশ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে।

করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও রয়েছে
বলে রাখা প্রয়োজন, করোনা পরিস্থিতির পরে ওষুধ তৈরি সংস্থাগুলি লাগাতার ওষুধের দাম বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিল। NPPA- শিডিউল ড্রাগের ক্ষেত্রে দাম 10.7 শতাংশ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন এই শিডিউল ড্রাগের মধ্যে জরুরি ওষুধও রয়েছে। যার দাম নিয়ন্ত্রণ হয়ে থাকে। অনুমতি ছাড়া এই সমস্ত ওষুধের দাম বাড়ানো যায় না। যে সমস্ত ওষুধের দাম বাড়তে চলেছে, এর মধ্যে করোনার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

১০ শতাংশ দাম বৃদ্ধির দাবি জানানো হয়েছিল-
১০ শতাংশ ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বারবার দাবি জানাচ্ছিল ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। এমনকি ২০ শতাংশ যাতে বাড়ানো হয় সেই দাবিও উঠতে শুরু করেছিল। যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। আর এরপরেই সবদিক ভেবেই ১০ শতাংশ ওষুধের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়। একে মূল্যবৃদ্ধি আকাশছোঁয়া। সব জিনিসের দাম প্রত্যেকদিনই বাড়ছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দামও। যা নিয়ে চরম চাপের মধ্যে মধ্যবিত্ত। আর এর মধ্যেই ওষুধের দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে বলেই আশঙ্কা।












Click it and Unblock the Notifications