কৃষি বিল প্রত্যাহারে অনুমোদন দিলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দা! সরকারি ভাবে খারিজ বিতর্কিত এই তিন বিল
বিতর্কিত কৃষি বিল প্রত্যাহার করে নিয়েছে মোদী সরকার। পঞ্জাব সহ একাধিক রাজ্যের ভোটের দিকে তাকিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের। শুধু মুখে বলা নয়, কাগজে কলমেও কাজ করতে চান প্রধানমন্ত্রী মোদী। গত কয়েকদিন আগেই ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে গিয়েছ
বিতর্কিত কৃষি বিল প্রত্যাহার করে নিয়েছে মোদী সরকার। পঞ্জাব সহ একাধিক রাজ্যের ভোটের দিকে তাকিয়ে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের। শুধু মুখে বলা নয়, কাগজে কলমেও কাজ করতে চান প্রধানমন্ত্রী মোদী। গত কয়েকদিন আগেই ধ্বনি ভোটে পাস হয়ে গিয়েছিল কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল।

লোকসভা এবং রাজ্যসভাতে পাস হয়েছে। আর এরপরেই সেই বিল পাঠানো হয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে। আজ বুধবার সেই বিল প্রত্যাহারে অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
রাষ্ট্রপতি কোবিন্দের অনুমোদনের পরেই বিতর্কিত কৃষি বিল তিনটি সরকারি ভাবে খারিজ হয়ে গেল। যদিও সরকারি ভাবে বিল প্রত্যাহার করা হলেও এখনই কৃষক আন্দোলন প্রত্যাহার নয় বলে জানিয়েছেন রাকেশ টিকায়েত। গত একবছরের বেশি সময় ধরে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে জাচ্ছিলেন কৃষকরা।
আন্দোলনের চাপে সরকার নতি স্বীকার করলেও আন্দোলন চলবে বলেই জানিয়েছেন রাকেশ। তাঁর দাবি, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সহ অন্যান্য কৃষকদের অন্যান্য দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন জারি থাকবে। তবে আন্দোলনের জয় হলেও এখনই তা উদযাপন করতে চান না কৃষকরা। এই প্রসঙ্গে কৃষক নেতা বলেন, এই আন্দোলন করার সময়ে একাধিক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের কথা ভেবেই কোনও উদযাপন নয় বলে আগেই স্পষ্ট করেছেন ওই কৃষক নেতা।
অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী সরকার এমএসপি ও কৃষকদের অন্যান্য দাবি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি কমিটি গঠন করলেন। কেন্দ্র সরকার এই আলোচনা করার জন্য পাঁচ জন কৃষক নেতার নাম চেয়ে পাঠালেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা থেকে কৃষক নেতাদের পাঁচ জনের নাম চেয়ে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে কৃষক নেতা দর্শন পাল জানান, ৪ ডিসেম্বর কৃষক প্রতিনিধিদের নাম এসকেএম সভায় সিদ্ধান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, এসকেএম থেকে যে পাঁচ জন কৃষকের নাম চেয়েছে তাদের কমিটির জন্য ফসলের ন্যূনতম সমর্থন মূল্য নিয়ে আমরা আলোচনা করব। কোন কোন নাম যাবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমরা সিদ্ধান্ত নিইনি। আমরা ৪ ডিসেম্বর এবিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।
তবে লোকসভা এবং রাজ্য সভাতে কৃষক বিল যেভাবে তোলা হয়েছে তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে বিরোধীদের। কংগ্রেসের দাবি, কোনও আলোচনা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা হল না। তবে রি কৃষি বিল প্রত্যহারের পরেই কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী তোমার বলেন, কৃষকদের স্বার্থের কথা ভেবে এই বিল নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু কৃষকরা তা বোঝেনি।
তবে বিজেপি নেতাদের একাংশের মতে, এই বিল যে কৃষকদের জন্যেই ছিল তা দলের শীর্ষ নেতারা বোঝাতেই পারেনি। আর সেই কারনেই এই হাল বলে দাবি বিজেপি একাংশের।












Click it and Unblock the Notifications