Prashant Kishor: মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে কীভাবে 'পাল্টি' খেয়েছেন নীতীশ, কীভাবে মোহভঙ্গ, বলেছেন প্রশান্ত কিশোর
Prashant Kishor: এক সময় নীতীশ কুমারের কাছের বলে পরিচিত ছিলেন প্রশান্ত কিশোর। নীতীশ কুমারের দলের অন্যতম পদাধিকারীও ছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশান্ত কিশোর নীতীশ কুমারের সঙ্গ ছাড়েন।
এবিপি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, তাঁর কখনই ইচ্ছা ছিল না, তাঁকে রাজনীতি করতে হবে কিংবা বিহারে গিয়ে রাজনীতিতে নামবেন। প্রশান্ত কিশোর আরও বলেছেন, যখন তিনি নীতীশ কুমারের সঙ্গে ছিলেন, তখন নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। তারপরে তিনি (প্রশান্ত কিশোর) চলে যান।

- কেন নীতীশের সঙ্গ ছেড়েছিলেন
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, তিনি নীতীশ কুমারের সঙ্গ ছেড়েছিলেন, কারণ তাঁর সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ছিল না। তিনি (প্রশান্ত কিশোর) কখনই দেখেননি, নীতীশ কুমার পাঁচ বছর টানা ভাল কাজ করেছেন।
- কখন-কীভাবে সঙ্গ ত্যাগ
বর্তমানে জন সুরাজের নেতা প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, যখন নীতীশ কুমার তৃতীয়বার বিজেপির সঙ্গে গিয়েছিলেন এবং জমিতেছিলেন, সেই সময় তাঁর (নীতীস কুমার) সঙ্গে কথা বলেছিলেন। ফল প্রকাশের একদিন আগে হওয়া কথায় নীতীশ কুমারকে নার্ভাস লেগেছিল বলে দাবি করেছেন প্রশান্ত কিশোর। ফল বেরনোর পরে তিনি নীতীশ কুমারকে বলেছিলেন, তিনি (নীতীশ কুমার) যদি ৪২ জন বিধায়ক নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন, সেখানে রাজ্যের জন্য কিছুই করতে পারবেন না।
- নীতীশ কুমারের 'পাল্টি'
প্রশান্ত কিশোরের দাবি, সেই দিন সন্ধে ছটা পর্যন্ত নীতীশ কুমার তাঁকে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী হবেন না। জনগণ ভোট না দিলে কীভাবে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, সেই কথাও নাকি য়বলেছিেলন নীতীশ কুমার। কিন্তু সন্ধে ছটার পরে মত বদল করেন নীতীশ কুমার। তার পরেই তাঁর (প্রশান্ত কিশোর) মনে হয়েছে বিহারের জন্য কী করতে হবে তা সবারই জানা।
- নীতীশকে নিয়ে কটাক্ষ
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, একটা সময় ছিল, যখন তাঁর মতো অনেকেরই মনে হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ক্ষমতা রাখেন নীতীশ কুমার। ২০১৫-তে বিহার বিধানসভার নির্বাচনের পরে দেশের অনেকেই মনে করেছিলেন নরেন্দ্র মোদীর জায়গায় প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন নীতীশ কুমার। কিন্তু নিজের পায়ে নিজেই কুড়ুল মরেন নীতীশ কুমার।












Click it and Unblock the Notifications