Prashant Kishor: নীতীশ-বিজেপি জোট কত দিনের জন্য? বড় ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের
Prashant Kishor: একটা সময় নীতীশ কুমারের দলের ভোট-পরামর্শদাতা ছিলেন। সেই পর্ব গিয়েছে অনেকদিন। তিনি বিহারে জন সুরাজ যাত্রা করে জনসংযোগ তৈরিতে ব্যস্ত। সেই প্রশান্ত কিশোর পরিবার নীতীশ কুমারকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। তিনি বলেছেন, নীতীশ কুমারের সঙ্গে বিজেপির জোট ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের পরে বেশি দিন টিকবে না।
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই নীতীশ কুমার আরেকটি ইউ-টার্ন নেবেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ করা প্রয়োজন ২০২৯-এর লোকসভাা নির্বাচনে বিজেপি ও জেডিইউ বিহারের ৪০ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৩৯ টিতে জয়লাভ করে।

বিহারে মহাজোটের পাশাপাশি ইন্ডিয়া ব্লক নিয়ে নীতীশ যেমন অস্বস্তিতে ছিলেন, অন্যদিকে বিজেপির ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিহার থেকে আসন হারাতে চায় না, সেই কারণইে নীতীশ কুমারকে এনডিএ-তে স্বাগত জানানো হয়েছে বলেই মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। তারা বলছেন, নীতীশ কুমারের এবারের পদক্ষেপে বিহারে বিজেপির হাত আরও শক্ত হল। ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তারা আরও বড় ভূমিকা পালন করতে পারে বলেও মনে করছেন সেইসব ভোট বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে বিহারের রাজনীতিতে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, যে বিষয়টিকে নীতীশ কুমার অস্বস্তি বলছেন মিডিয়ার সামনে, ভিতরের বিষয়টি আলাদা। নীতীশ কুমার নাকি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, আরজেডির সঙ্গে গেলে ২০১৯-এ যতগুলো আসন পেয়েছিল জেডিইউ, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তা পাওয়া যাবে না। যে কারণে জেডিইউয়ের অনেক সাংসদ নীতীশ কুমারকে চাপ দিয়েছিলেন এনডিএ-তে ফিরে যাওয়ার জন্য।
এখানে আরও উল্লেখ করা প্রয়োজন, ২০২০-র বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের ২৪৩ টি আসনের মধ্যে আরজেডি সর্বোচ্চ ৭৯ টি আসন পায়। বিজেপির পায় ৭৮ টি আসন। সেখানে নীতীশ কুমারের জেডিইউ পায় ৪৩ টি আসন। তারপরেই ছিল কংগ্রেস ও বামেরা। ২০১৫-র নির্বাচনে পাওয়া ৭১ টি থেকে ২০২০-তে ৪৩-এ নেমে যায় জেডিইউ।












Click it and Unblock the Notifications