প্রধানমন্ত্রীর ৫৬ ইঞ্চি ছাতি দেখা যাচ্ছে! প্রশান্ত কিশোরের নিশানায় নরেন্দ্র মোদী
বিহারের জন সুরজ যাত্রায় ব্যস্ত ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর। সেই যাত্রা থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রীকেও আক্রমণের নিশানা করেছেন। তিনি বলেছেন, যাঁরা জাত ও ভারত-পাকিস্তান নিয়ে চিন্তিত, তাঁরা নরেন্দ্র মোদীর ৫৬ ইঞ্চি ছাতি দেখতে পাচ্ছেন। কিন্তু ক্ষুধার কারণে সন্তানের সংকুচিত বুক দেখতে পাচ্ছেন না।
দেশের দরিদ্রদের কথা বর্ণনা করতে দিয়ে পিকে বলেন, প্রত্যেক গ্রামেই দেখা যায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা পায়ে হেঁটে আসে। এদের পায়ে চপ্পল এবং পায়ে জামা-কাপড় নেই। তারা স্কুলে যায় খিচুড়ি খেতে। অন্যদিকে ঘরে ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে বেকার বসে রয়েছে। আপনি কারখায়া শ্রমিক হিসেবে কাদ করছেন, কিন্তু সন্তানদের জন্য চিন্তিত নন।

পিকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বলেছেন, কোনও দল বা নেতা আপনার সন্তানের জন্য কিছু করবেন না। তিনি বলেন, বিহারের মানুষ কিছু জানুক না জানুক, রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে ভালই জানে। যেখানে চারজন বসে, তাদের চাকরি না থাকলেও দেশ-বিদেশের রাজনীতি সম্পর্কে জ্ঞান রয়েছে। তিনি বলেছেন, কেউ যদি সন্তানের জন্য চিন্নিত না হন, তাহলে নেতা-নেত্রীকে গালি দিয়ে লাভ নেই।
প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলির সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, যদি ধরে নেওযা যায়, বিহারে কংগ্রেসের শাসনে ভাল কাজ হয়েছে, লালু প্রসাদের শাসনে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়ারা আওয়াজ তুলতে পেরেছে, নীতীশ কুমারের শাসনে উন্নয়ন হয়েছে, তারপরেই বিহার দেশের মধ্যে সব থেকে দরিদ্র, বেকার, অশিক্ষিত এবং ক্ষুধার্তদের রাজ্য।

ভোট কুশলী বলেছেন গত ৫০ বছরে বিহার ২৭ জনের বেশি মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে। কিন্তু বিহারের অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। তিনি বলেও এব্যাপারে আজ বিতর্ক করে লাভ নেই। সব দল সঠিক কাজ করলে কেন বিহারের অবস্থা সব থেকে খারাপ তা ভাবতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এখানে বিহারের তুলনা করে ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর দেশের পিছিয়ে পড়া অংশের কথা বলতে চেয়েছেন। এব্যাপারে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও যে দায় অস্বীকার করতে পারেন না, তাও বলতে চেয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications