দায়িত্ব ছেড়েছেন লালু-নীতীশের হাতে! বিহারে উন্নয়নের উপায় বাতলে মোদী-বিজেপিকে নিশানা প্রশান্ত কিশোরের
বিহারে অনুন্নয়নের অভিযোগ করে সরব হলেন রাজনীতি-কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর। বিহারে জন সূরজ যাত্রায় বেরিয়েছেন তিনি। সেই যাত্রায় তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপি বিহারকে লালুপ্রসাদ যাদব এবং নীতী
বিহারে অনুন্নয়নের অভিযোগ করে সরব হলেন রাজনীতি-কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোর। বিহারে জন সূরজ যাত্রায় বেরিয়েছেন তিনি। সেই যাত্রায় তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপি বিহারকে লালুপ্রসাদ যাদব এবং নীতীশ কুমারদের হাতে তুলে দিয়েছেন। যার জেরে রাজ্যের উন্নয়ন থমকে গিয়েছে, মন্তব্য করেছেন একদা বিজেপির রাজনৈতিক পরামর্শদাতা।

লালু-নীতীশকে নিশানা
প্রশান্ত কিশোর লালুপ্রসাদ যাদবের পাশাপাশি নীতীশ কুমারকেও আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেছেন, বিহারের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি লালু যাদব। আর নীতীশ কুমারকে আক্রমণ করতে গিয়ে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর আসন ধরে রাখার চেষ্টা করতে গিয়ে বিহারের জনগণের ওপরেই হাল ছেড়ে দিয়েছেন।

জন সূরজযাত্রা থেকে আক্রমণ
বিহারের জন সূরজ যাত্রা শুরু করেছেন প্রশান্ত কিশোর। ৩৫০০ কিমি পথ পায়ে হেঁটে প্রচারের পরিকল্পনা নিয়েছেন তিনি। প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, লালু যাদব বিহারীদের জন্য আওয়াজ তুলেছেন, কিন্তু তাঁদের শিক্ষিত করে তোলেননি। ভূমি সংস্কারের প্রয়োজন থাকলেও, তিনি তা করেননি। সেই কারণে যাঁরা পিছিয়ে ছিল, তাঁরা পিছিয়েই থেকে গেল বলে মন্তব্য করেছেন।

মোদী ও বিজেপিকে আক্রমণ
প্রশান্ত কিশোর মোদী ও বিজেপিকে একইসঙ্গে আক্রমণ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বিজেপি বিহারের উন্নয়নের জন্য দায়িত্ব নেওয়ার পরিবর্তে, তা নীতীশ কুমার এবং লালু যাদবের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, রাজ্য নীতীশ কুমারের ওপরে বাজি ধরেছে। আর নীতীশ কুমারও ৫-৭ বছর তাঁর কাজ দেখিয়েছেন। যার জেরে ২০০৫ সালের পরে রাজ্যে কিছু উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু নীতীশ কুমার ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনে হারার পরে কাজ ছেড়ে কেবল ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

বিহারের জনগণকে একত্রিত হওয়ার ডাক
বিহারের জনগণকে একত্রিত হওয়ার ডাক দিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, এটাই বিহারের উন্নয়নের পথে যাওয়ার একমাত্র উপায়। তিনি বলেছেন, সবাই মোদীজির মেয়াদ দেখেছেন। ২০১৪ তে লোকসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসার পরে বিজেপি বিহারে পুরো শক্তি দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। কিন্তু বিহারের মানুষ বিজেপিকে পরাজিত করার পরে তারা বিহারের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছে নীতীশ কুমার এবং লালুপ্রসাদ যাদবের হাতে।












Click it and Unblock the Notifications