বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ, ব্রাত্য-মুকুলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ত্রিপুরার তৃণমূলকর্মীদের একাংশের
কলকাতা থেকে তৃণমূলের (trinamool congress) হেভিওয়েট নেতারা আগরতলা (agartala) গিয়েছেন আইপ্যাকের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে। পাশাপাশি তারা বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়েও গিয়েছেন। সেই কর্মসূচি অনুযায়ী চলতে গিয়েই বিরোধ স্থানীয় নেত
কলকাতা থেকে তৃণমূলের (trinamool congress) হেভিওয়েট নেতারা আগরতলা (agartala) গিয়েছেন আইপ্যাকের সদস্যদের পাশে দাঁড়াতে। পাশাপাশি তারা বেশ কিছু কর্মসূচি নিয়েও গিয়েছেন। সেই কর্মসূচি অনুযায়ী চলতে গিয়েই বিরোধ স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের সঙ্গে। তাঁদের অভিযোগ যাঁদেরকে নিয়ে চলার চেষ্টা করছেন ব্রাত্য বসু (bratya basu), মুকুল রায়রা (mukul roy), তাঁরা বিজেপির অনুগত।

স্থানীয় তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকালে পঞ্চাশ জন নেতা একসঙ্গে হয়ে ব্রাত্য বসুর সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেন। এক্ষেত্রে আগরতলা শহরের একটি হোটেল বাছা হয়। কিন্তু এইসব তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বুধবার রাতে বৈঠকের স্থান বদল করে ফেলা হয়। ঠিক হয় আগরতলার কৃষ্ণনগরের সৎসঙ্গ আশ্রম লাগোয়া অজয় পালের বাড়িতে এই বৈঠক হবে। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও সেখানকার তৃণমূল নেতা কর্মীদের সেখানে যেতে বলেন। তাতেই প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।
প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা অজয় পাল বিজেপির লোক। ব্রাত্য বসু কীভাবে অজয় পালের বাড়িতে বৈঠকের কথা বললেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। পরে এইসব তৃণমূলের নেতারা আরও দাবি করেন, ব্রাত্য বসুকে অজয় পালের বাড়িতে বৈঠক করতে বলেছেন মুকুল রায়। কেননা অজয় পাল মুকুল রায়ের পুরনো পরিচিত।
আগরতলার ওইসব তৃণমূল নেতা কর্মীরা জানিয়ে দেন তাঁরা অজয় পালের বাড়িতে বৈঠক করতে যাবেন না। আর মুকুল রায়, ব্রাত্য বসুরা যা বলবেন, তা মেনে নেওয়াও হবে না। কেননা অজয় পালের বাড়িতে বৈঠক হলেই তার সবকিছু পৌঁছে যাবে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে। বিজেপির দূত হিসেবে কাজ করার জন্যই তিনি তৃণমূলে আসতে চাইছেন বলে অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা।
অন্যদিকে এপ্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, অজয় পাল ত্রিপুরা পর্যটন নিগমের চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য ছুটোছুটি করেছিলেন। কিন্তু ব্যর্থ হওয়ায় এবার তিনি তৃণমূলের দিকে ভিড়তে চাইছেন।












Click it and Unblock the Notifications