'তেজস্বী বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হলে অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং খুনের জন্য তিনটি নতুন দপ্তর তৈরি করা হবে': অমিত শাহ
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিহারে আজ একটি নির্বাচনী জনসভা থেকে রাষ্ট্রীয় জনতা দলকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, আরজেডি-কংগ্রেস ও বিকাশশীল ইনসান পার্টি জোট ক্ষমতায় এলে এবং তেজস্বী যাদব রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হলে বিহারে অপহরণ, তোলাবাজি এবং খুনের জন্য তিনটি নতুন দপ্তর তৈরি করা হবে।

বিহারের মুজাফফরপুরে অমিত শাহ নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন যে, কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধী চান তাঁর ছেলে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোন, আবার আরজেডির প্রধান লালু প্রসাদ যাদব চান তাঁর ছেলে তেজস্বী বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হোন। তবে, তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, দুটি পদ খালি নেই।
অমিত শাহকে উদ্ধৃত করে এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, "লালু প্রসাদ এবং সোনিয়া গান্ধী জাতির কথা ভাবেন না। লালুজি তার ছেলেকে মুখ্যমন্ত্রী বানাতে চান এবং সোনিয়াজি তার ছেলেকে প্রধানমন্ত্রী বানাতে চান। তাদের ইচ্ছা কখনই পূরণ হবে না কারণ নীতীশ কুমার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী এবং নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রধানমন্ত্রী।"
এই বক্তব্যে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) প্রাক্তন সভাপতি আরও বলেন, ক্ষমতাসীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (NDA) যদি রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে আসে তবে বিহারের জন্য একটি নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং নীতিশ কুমারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দুই নেতার প্রচেষ্টায় বিহার এখন অনেক উন্নত।
অমিত শাহ বলেন, এনডিএ সরকারের অধীনে বিহার হলো ভারতের প্রথম রাজ্য যেখানে রেল ইঞ্জিন রপ্তানি করা হয়েছে। সেই একই সংবাদ সংস্থা অমিত শাহকে উদ্ধৃত করে বলেছে, "কোনও প্রার্থীকে মন্ত্রী করার জন্য ভোট দেওয়া উচিত নয় বরং বিহারকে 'জঙ্গল-রাজ' থেকে বাঁচানোর জন্য ভোট দেওয়া উচিত। লালুর ১৫ বছরের শাসন আমলে বিহারের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছিল। যদি মুজাফফরপুরের মানুষ এনডিএকে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে কেউ 'জঙ্গল-রাজ' ফিরিয়ে আনতে পারবে না"।
বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ৬ এবং ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications