২০০৯-এর পর পুঞ্চের লড়াই ভারতীয় সেনার কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জিং অভিযান কেন! কিছু তথ্য একনজরে
টানা ১০ দিন। বুধবার নিয়ে টানা ১০ দিন ধরে ধৈর্য ও চরম সাহসিকতা, রণকৌশলের যাবতীয় পন্থাকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি দমনে নেমেছে ভারতীয় সেনা। ২০০৯ সালে কাশ্মীরের পুঞ্চে ৯ দিন ধরে চলেছে অপারেশন। সেই সময় ২০০৯ সালে জানুয়ারি মাসের ১ থেকে ৯ তারিখে চারজন সেনা জওয়ান শহিদ হন। এরপর কেটে গিয়েছে ১১ বছর। এবার ভারতীয় সেনা জওয়ানদের সঙ্গে ফের একবার জঙ্গিদের মুখোমুখি গুলির লড়াই চলেছে। এবারও ঘটনাস্থল পুঞ্চ। আর এবারও ভারতীয় সেনা হারিয়েছে তাঁর বীর যোদ্ধাদের মধ্যে অনেককেই। তবে ময়দান ছাড়েনি। কেন এই জঙ্গি দমন অপারেশন সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জিং দেখে নেওয়া যাক।

২০০৯ কী ঘটেছিল?
২০০৯ সালে ৪ জন জঙ্গিকে পুঞ্চে ধওয়া করে ভারতীয় সেনা, বলে শোনা যায়। পরে জানা যায়, এনকাউন্টারে ওই জঙ্গিরা প্রাণ হারায়। যদিও এনকাউন্টারের ঘটনাস্থল থেকে তাদের দেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে খবর। নেপথ্যের রহস্য ঘিরে তল্লাশিতে নামে সেনা। ৯ দিনের খোঁজের পরও মেলেনি দেহ। এদিকে, ততদিনে ৪ জন বীর ভারতীয় জওয়ান শহিদ হন।

ফের পুঞ্চ টার্গেটে
পাল্টেছে সময়। ঝিলাম দিয়ে বয়ে গিয়েছে বহু জলধারা। আবার সেই পুঞ্চে সমর ময়দানে মুখোমুখি ভারতীয় সেনা ও জঙ্গিরা। সারা দেশ যখন উৎসবের মরশুমে আনন্দো মাতোয়ারা, তখন ভারতের জওয়ানরা দেশের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুঞ্চের গভীর জঙ্গলের মধ্যে জঙ্গিদের তল্লাশিতে ব্রতী। ১১ অক্টোবর থেকে সেখানে চলছে সেনা -জঙ্গি গুলির লাড়াই। একটি তল্লাশি অভিযান সেখানে শেষ পর্যন্ত এনকাউন্টারের চেহারা নিয়ে নিয়েছে।

কেন চ্যালেঞ্জিং এই অভিযান
যেখানে এই গুলির যুদ্ধ চসছে তার ১১ কিলোমিটার জায়গায় কোনও মিডিয়া পার্সনকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে, গভীর জঙ্গলের মধ্যে সন্ত্রাসের আখড়া কোথায় কোথায় রয়েছে তা তত্ত্ব তলাশ করতে বেশ খানিকটা ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছেন ভারতীয় জওয়ানরা। এদিকে, জঙ্গিদের লোকেশন ট্র্যাক করতে ড্রোন ঢুকে পড়েছে জঙ্গলের ভিতর। গোটা অপারেশন সম্পর্কে শুধুমাত্র সেনার তরফে দেওয়া বিবৃতি ছাড়া কিছুই এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভারতীয় সেনার অভিযানের ইতিহাসে এটিই অন্যতম বড় অপারেশন।

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুঞ্চেক গভীর জঙ্গলে বহু সংখ্যক জঙ্গিরা গোপনে রয়েছে সম্ভবত। আর তাদের লোকেশন ট্র্য়াক করে তাঁদের নিকেশ করা খুবই কঠিন। মনে করা হচ্ছে, চিনকে রুখতে লাদাখে যখন ভারতীয় সেনার বহু ফোর্স মোতায়েন করা হয়, তখনই কাশ্মীরে অনুপ্রবেশে সুবিধা পেয়ে গিয়েছে বহু পাকিস্তানি জঙ্গি। আর তাদের নিকেশেই এই ১০ দিন ধরে চলা অপারেশন খুবই চ্যালেঞ্জিং।












Click it and Unblock the Notifications