পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে র্যাডার জরিপ, শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক
উদ্দেশ্য ছিল ছিল পুরীর (puri) জগন্নাথ মন্দিরকে (jagannath temple) ঘিরে মাটির নিচে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদের সন্ধান করা। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য এখন রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি
উদ্দেশ্য ছিল ছিল পুরীর (puri) জগন্নাথ মন্দিরকে (jagannath temple) ঘিরে মাটির নিচে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদের সন্ধান করা। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য এখন রাজনৈতিক বিতর্কে পরিণত হয়েছে। বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি (bjp) আর রাজ্যের শাসক বিজু জনতা দল (bjd)।

ওড়িশা সরকারের ৮০০ কোটির প্রকল্প
ওড়িশা সরকারের ৮০০ কোটি টাকার শ্রীমন্দির পরিক্রমা প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১২ শতকে তৈরি শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের আশপাশে মাটির নিচে কোনও প্রত্নতাত্ত্বিক ধন খুঁজে পেতে শনিবার রাতে গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং র্যাডার সার্ভে শুরু করে। ওড়িশা সরকারের এই প্রকল্পের দায়িত্বে রয়েছে ওড়িশা ব্রিজ কনসট্রাকশন কর্পোরেশন। এছাড়াও জিপিআরএস প্রযুক্তির জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গান্ধীনগরের আইআইটিকে। যারা জি কার্ট র্যাডার টেকনোলজি প্রাইভেট লিমিটেডকে কাজে লাগিয়েছে। নির্দেশিকা অনুসারে নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার আগে জিপিআরএস করার কথা বলা হয়েছিল।

আদালতে এএসআই-এর বিবৃতি
ওড়িশা হাইকোর্টে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া বিবৃতি দিয়ে বলেছে, মন্দিরের ৭৫ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে মাটির নিচে কোনও ঐতিহাসিক গুরুত্ব লুকিয়ে আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে কোনও জিপিআরএস করা হয়নি। এএসআই-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, মন্দিরের আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় ১৫ থেকে ২০ ফুট মাটি সরানো হয়েছে, যার জেরে এই ঐতিহ্যবাহী স্থানের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এই সময় অবশ্য ওড়িশা ব্রিজ কনসট্রাকশন কর্পোরেশন মাটির সরানো এবং খনন কার্যের ফলাফল সম্পর্কে অজ্ঞই ছিল।

রাজনৈতিক বিতর্ক
বর্তমান জিপিআরএস নিয়ে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিজেপির মুখপাত্রা সম্বিত পাত্র পুরীর বিজেডি সাংসদ পিনাকি মিশ্রকে নিশানা করে বলেছেন, তাঁর মিথ্যা বেরিয়ে পড়েছে। দিন কয়েক আগে এক টুইটার বার্তা পিনাকি মিশ্র দাবি করেছিলেন জিপিআরএস হওয়ার প্রমাণ রয়েছে। ফলে খননের আগে জিপিআরএস না হওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিজেডির মুখপাত্র সুলতা দেও দাবি করেছেন ডিপিআরএস আগে করা হয়েছিল। এবং এএসআই-এর কাছে তা জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরেই বিজেপি মুখপাত্রা পুরীর মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

অবৈজ্ঞানিক কাজ
পাল্টা মাঝরাতে গোপনে তাড়াহুড়ো করে জিপিআরএস করার কথা উল্লেখ করে সম্বিত পাত্র বলেছেন, সরকারের উচিত ছিল প্রথমে জিপিআরএস করা। তারপরে নির্মাণের জন্য মাটি খনন করা যতে পারত। ওড়িশা সরকার যা করে তা অবৈজ্ঞানিক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
একইভাবে বিধানসভায় কংগ্রেস পরিষদীয় দলের নেতা নরসিংহ মিশ্র হাউজ কমিটিকে দিয়ে যাচাই করার ব্যাপারে দেরি হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেননা বর্তমান নির্মাণ কাজে মূল জগন্নাথ মন্দিরের ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications