'ঘুষ না দিলে সৎ কর্মীদের উপরে...'! কন্ট্রোল রুমে ঢুকে আত্মঘাতী পুলিশের হেড কনস্টেবল, কী লেখা সুইসাইড নোটে?
মধ্যপ্রদেশে ঘটেছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ঢুকে বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছেন মধ্যপ্রদেশ পুলিশের এক হেড কনস্টেবল। নাম হোশিয়ার সিং আহির (Hoshiar Singh Ahir), বয়স ৫০ বছর। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর তাঁর জামার পকেট থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়েছে। সেই সুইসাইড নোটে ঘুষ, দুর্নীতি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তাদের হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, হরিয়ানার ওই বাসিন্দা নিমুচ জেলার কানাওয়াটি পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি পাঁচ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। সোমবার দিন কাজে ফেরার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার আগের দিনই অর্থাৎ, রবিবার দুপুরেই আচমকা তিনি নিমুচের পুলিশ কন্ট্রোল রুমে ঢুকে পড়েন। সহকর্মীরা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি একটি শিশি থেকে বিষাক্ত বিষ মুখে ঢেলে দেন। সাথে সাথে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাড়াতাড়ি তাঁকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ার করণে বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। কিন্তু চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরে হোশিয়ার সিং-এর জামার পকেট থেকে উদ্ধার হয় একটি সুইসাইড নোট। সেখানে লেখা "ঘুষ না দিলে সৎ কর্মীদের উপরে হেনস্থা করা হয়।" কয়েকজন পুলিশ কর্তার নামও সেই সুইসাইড নোটে উল্লেখ করেন তিনি। এমনকি আত্মহত্যার আগেও নোটের একটি কপি সিনিয়র কর্তৃপক্ষকে পাঠিয়ে নিজের নিরাপত্তা নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।
মৃতের পরিবার অভিযোগ করেছেন যে, কর্মক্ষেত্রে চরম মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন হোশিয়ার সিং। স্ত্রী কমলেশ বাই এবং মেয়ে অঞ্জলি দাবি করেছেন যে, শারীরিক অসুস্থতা থাকার পরেও তাঁকে অনেক কঠিন কাজ দেওয়া হতো। সেইসঙ্গে, ময়নাতদন্তের পর মৃত দেহের পাশে থাকতে না দেওয়া এবং মোবাইল ফোন নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগও তুলেছেন হোশিয়ারের পরিবার।












Click it and Unblock the Notifications