প্রধানমন্ত্রী স্বামিত্ব যোজনা'য় বিপ্লব ঘটাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ! কীভাবে উপকৃত হচ্ছেন সে রাজ্যের মানুষ

উত্তরপ্রদেশ জুড়ে উন্নয়ন চলছে। শুধু তাই নয়, মোদী সরকারের একাধিক যোজনা একেবারে সে রাজ্যের তৃণমূল স্তরে পৌঁছে যাচ্ছে। আর তাতে মানুষ নানা ভাবে উপকৃত হচ্ছেন। কীভাবে। রইল সেই তথ্য

উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উন্নয়নের দিন রাত কাজ করছেন মুখ্যমন্ত্রী (CM yogi Adityanath) যোগী আদিত্যনাথ! বিশেষ করে যাতে সে রাজ্যের প্রত্যেক মানুষের কাছে কেন্দ্রের আনা সমস্ত যোজনার সুবিধা পৌঁছয় সেই লক্ষ্যে কাজ করে চলেছন মুখ্যমন্ত্রী।

এই অবস্থায় কেন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী স্বামিত্ব যোজনা (Pradhan Mantri Swamitva Yojana) লাগু করার ক্ষেত্রে সবার আগে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) । সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী (CM) যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। যেখানে এই যোজনা সবার কাছে পৌঁছয় সেজন্যে বিশেষ ভাবে ড্রোন সার্ভে'র (drone survey) কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৯০,৯০০ গ্রামে ড্রোন সার্ভে শেষ হয়েছে

৯০,৯০০ গ্রামে ড্রোন সার্ভে শেষ হয়েছে

কমিশনার ও রাজস্ব দফতরের সচিব মনীষা ত্রিঘটিয়া জানান, স্বামীত্ব যোজনার কাজ চলছে যুদ্ধকালীন ভিত্তিতে। শুধু তাই নয়, প্রায় সমস্ত জেলার ৯০,৯০০ টি গ্রামে এখনও পর্যন্ত ড্রোন সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। একই সঙ্গে ৩৪ হাজার ১৯৩ টি গ্রামে বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। আর এভাবেই এখনও পর্যন্ত মোট ৫০,৫৮২২৯ টি ঘর তৈরি হয়ে গিয়েছে। যার মধ্যে ২০২২ সালের ২৫ জুনের মধ্যেই ৩৪,৬৯,৮৭৯ টি বাড়ি বিতরণ করা হয়েছে। তবে ২৫ জুনের পর এখনও পর্যন্ত ১৫,৮৮,৩৫০ টি ঘর তৈরি করা হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সচিব মনীষা ত্রিঘটিয়া জানিয়েছেন, আগামী জুন মাসের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত গ্রামে ড্রোন সার্ভে শেষ হয়ে গিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী স্বামীত্ব যোজনা যোজনা আসলে কি?

প্রধানমন্ত্রী স্বামীত্ব যোজনা যোজনা আসলে কি?

প্রধানমন্ত্রী স্বামিত্ব যোজনা (Pradhan Mantri Swamitva Yojana) কেন্দ্রীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রকল্প। যা ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে নিয়ে আসা হয়। যোজনার মূল লক্ষ্য গ্রামীণ ভারতকে আর্থিক ভাবে আরও মজবুত করা এবং আত্মনির্ভর গড়ে তোলা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সরকার নানা ভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রামীণ ভারতকে ক্ষমতায়ন ও শক্তিশালী করতে চায়। এই অবস্থায় গ্রামের মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের এই যোজনা একেবারে আশির্বাদ। এই যোজনার মাধ্যমে গ্রামের ওই সমস্ত লোক জমির মালিকানা পাচ্ছেন, যাদের জমির কোনও সরকারি তথ্য কিংবা রিপোর্ট নেই।

কাগজ না থাকলেও মিলছে ঘরের সুবিধা

কাগজ না থাকলেও মিলছে ঘরের সুবিধা

উত্তরপ্রদেশের বড় একটা অংশ গ্রাম! আর সেখানে থাকা বাসিন্দাদের জন্যে স্বামীত্ব যোজনা আসার ফলে গ্রামের মানুষকে প্রপার্টি কার্ডের জন্যে আবেদন করতে হয় না। সরকার যেভাবে গ্রামীণ এলাকাতে সার্ভে এবং ম্যাপিংয়ের কাজ করবে, তেমন ভাবে মানুষের হাতে প্রপার্টি কার্ড পৌঁছে যাবে। তবে যাদের জমির কাগজপত্র আছে তাদের কাগজপত্রের ফটোকপি অবিলম্বে জমা দিতে বলা হয়েছে। কিন্তু যাদের কাগজপত্র নেই তাঁদের সরকারের তরফে ঘরের নামে নথি দেওয়া হচ্ছে। এতে গ্রামের মানুষ ব্যাপক ভাবে সুবিধা পাচ্ছে বলে জানানো হচ্ছে।

এই সুবিধা মিলবে

এই সুবিধা মিলবে

ঘর পাওয়া সে রাজ্যের মানুষকে নানা ভাবে সুবিধা দেখে জমি নিজের নামে হওয়ার পর গ্রামে মানুষ সেটিকে খুব সহজেই বিক্রি করতে পারবেন। এমনকি সম্পত্তিও কিনতে পারবে। এমনকি ব্যাঙ্কের নানা সুবিধা এবং লোন পাওয়ার সুবিধাও মানুষ খুব সহজেই পাবে বলেও জানানো হয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+