Yogi Adityanath: মোদী সরকারের শিক্ষানীতির বন্দনা যোগীর মুখে, রাজ্যের শিক্ষায় উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ
২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশে ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। ব্যতিক্রম নয় রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রও। কেন্দ্র-রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সৌজন্যে উত্তরপ্রদেশ দিল্লি থেকে বিষয়েই সুবিধা পেয়ে থাকে। তারই অন্যতম প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুল প্রকল্প। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পটি চালু হয়েছে হিন্দি বলয়ের বৃহত্তম রাজ্যে।
মোদী সরকারের শিক্ষানীতির ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুখে। প্রধানমন্ত্রী শ্রী স্কুল প্রকল্প নিউ ইন্ডিয়ার ভিশনকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, করোনার সময় সারা বিশ্ব একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী শুধু ১৪০ কোটি দেশবাসীকে রক্ষাই করেননি একইসঙ্গে নতুন শিক্ষানীতিও চালু করেছিলেন।

একইসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথ উল্লেখ করেছেন, ২০১৭ সালের আগে রাজ্যের দুঃস্থ পরিবারের শিশুরা শিক্ষার সুযোগ পেত না। একাধিক প্রত্যন্ত এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কল ছিল না। সকলেই শিক্ষার অধিকার সমান ভাবে পেত না। সাধারণ ইটের দেওয়াল দিয়ে কোনও মতে ছোট ছোট প্রাথমিক স্কুল বা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র তৈরি করা ছিল। বিজেপি সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সেই সব প্রাথমিক স্কুলের উন্নয়নে জোর দেন। এবং সেই স্কুলগুলির উন্নয়নে জোর দিয়েছিলেন।
এর পাশাপাশি যোগী আরও উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে, আমরা শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির উন্নতি করেছি। বর্তমানে, ৯৬% শতাংশ বেসিক স্কুল আপগ্রেড করা হয়েছে।ফলে স্কুলে ৪০ লক্ষ শিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রচারাভিযানের সময় দেখা গেছে যে শিশুরা খালি পায়ে এবং শার্ট পরে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় স্কুলে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে গরিব শিশুদের ব্যাগ, জুতো, সোয়েটার প্রদান করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগ করেছেন যে স্কুলগুলিতে শিক্ষকের ঘাটতি মেটাতে, সরকার ১.২৫ লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করেছে।পূর্বে, রাজ্যের ছাত্ররা অন্যান্য রাজ্যে কোচিং করতে চলে যেত। কোভিড পর্বের পরে, অভ্যুদয় কোচিং প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছিল, যা প্রতিটিতে জেলাতে কার্যকর হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications