Narendra Modi: করুণা হয়...এবার বন্ধ করুন! অধীর চৌধুরীকে ধমক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর
Narendra Modi: লোকসভা নির্বাচনের আগে শেষ অধিবেশন! নির্বাচনের আগে সংসদে অন্তবর্তী বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর অধিবেশনের দিকে একেবারে কড়া ভাষায় কংগ্রেসকে একহাত নিলেন তিনি।
শুধু তাই নয়, কিছুটা মেজাজ হারিয়ে বাংলার সাংসদ তথা কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরীকেও (Adhir Ranjan Chowdhury) কার্যত ধমক দেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। বলেন, সমাজে বিভেদ তৈরি করে কতদিন রাজনীতি করবেন? বিরোধী হিসাবে কংগ্রেস ব্যর্থ বলেও তোপ দাগেন।

প্রধানমন্ত্রী এদিন লোকসভায় দীর্ঘ বক্তব্য দেন। প্রথম থেকেই কার্যত কংগ্রেসকে একহাত নিতে শুরু করেন। বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিরোধী হিসাবে কাজের সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু সেই বিরোধী ফলের ভূমিকা পালনে ব্যর্থ। এমনকি অন্যান্য বিরোধী নেতাকেও সঠিক ভাবে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতে কংগ্রেস দেয়নি বলে অভিযোগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যের মধ্যেই কার্যত চিৎকার করতে থাকেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
আর তাতে কিছুটা মেজাজ হারিয়ে ফেলেন নরেন্দ্র মোদী। বলেন, কি হয়েছে দাদা (অধীর চৌধুরী) আপনাদের। এভাবে আর কতদিন সমাজের মধ্যে বিভেদের রাজনীতি করবেন। এভাবে সমাজকে আর কতদিন টুকরো করবেন। অনেক হয়েছে, এবার বন্ধ করুন এই বিভাজন। দেশকে হতাশার জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন আপনার। কার্যত কিছুটা মেজাজ হারিয়ে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদকে একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী।
#WATCH | PM Narendra Modi says, "I see that many of you (Opposition) have even lost the courage to contest elections. Some seats were changed last time too, I have heard that many people are looking to change their seats this time as well. I have also heard that many people now… pic.twitter.com/M6IDnozP3j
— ANI (@ANI) February 5, 2024
তাই নয়, আরও বলেন, ভাবনা নিয়ে আপনার জন্যে করুণা হয়। নেতা বদলেছে, কিন্তু সেই একই টেপ রেকর্ডার রয়ে গিয়েছে। নতুন কিছু আসে না, পুরানো রাগ পুরানো কথা বলতেই থাকে। তবে নির্বাচন আসছে। জনতাকে এবার কিছু নতুন বলুন। এটাও কি শিখিয়ে দেব? কংগ্রেসকে আক্রমণ প্রধানমন্ত্রীর।
আর তা বলতে গিয়ে তাঁর সংযোজন, অধীরবাবুর অবস্থা সবাই দেখতে পাচ্ছি। পরিবারতন্ত্রের জন্যে তাঁকে করেই যেতে হবে। কিছুটা চুপ করে... সেই সময় বিরোধী মঞ্চে বসে থাকা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কার্যত হাঁসতে হাঁসতেই এর পালটা উত্তর দেন।
তার মাঝেই ফের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, পরিস্থিতি দেখুন। আমাদের খাড়গেজি এই কক্ষ থেকে ওই কক্ষে চলে গেলেন। গোলাম নবিজি পার্টি থেকে শিফট করে গেলেন। পরিবারতন্ত্রের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে। নাম না করে রাহুল গান্ধীকেও আক্রমণ করেন। বলেন, একই প্রোডাক্ট লঞ্চ করে দোকান বন্ধের অবস্থা কংগ্রেসের।












Click it and Unblock the Notifications