মোদীর ডাকে সর্বদল বৈঠক! 'এক দেশ এক ভোট'-এ জোর দেওয়ার সম্ভাবনা
দেশের রাজনৈতিক দলগুলির প্রধানদের নিয়ে বৈঠক বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যতম উদ্দেশ্য একদেশ, এক ভোট। ২০১৪ সালে বিজেপির ইস্তেহারেএই প্রসঙ্গের উল্লেখ ছিল।
দেশের রাজনৈতিক দলগুলির প্রধানদের নিয়ে বৈঠক বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যতম উদ্দেশ্য একদেশ, এক ভোট। ২০১৪ সালে বিজেপির ইস্তেহারে এই প্রসঙ্গের উল্লেখ ছিল। এছাড়াও এদিনের বৈঠকের আলোচনায় থাকবৈঠক হয়। ছে ২০২২-এ ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি। তাছাড়াও এবছরে মহাত্মা গান্ধীর ১৫০ তম জন্ম বার্ষিকী পালনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একদেশ, এক ভোটএ-র বিরোধিতা করেছেন কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ, তৃণমূল এবং বামেরা। অধীর চৌধুরী কংগ্রেসের লোকসভার নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর সনিয়া গান্ধীর সভাপতিত্বে ইউপিএ-র বৈঠক হয়। সেখানে এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করা হয়। বৈঠকে রাহুল গান্ধী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডিএমকে-র তরফে টিআর বালু, কানিমোঝি, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা।
এরমধ্যে বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে যাচ্ছেন না টিডিপি নেতা এন চন্দ্রবারু নাইডু।
সিপিএম-এর তরফে এস রামচন্দ্র পিল্লাই প্রস্তাবটিকে অকার্ষকর বলে বর্ণনা করেছেন। সিপিআই নেতা ডি রাজাও এই প্রস্তাবের সমালোচনা করেছে। বিরোধিতায় সুর মিলিয়েছে আপও।
২০১৮-র অগাস্টে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেছিলেন এই প্রস্তাব কার্যকর করতে গেলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন। তিনি বলেছিলেন নিকট ভবিষ্যতে প্রস্তাব কার্যকর হওয়ার
সম্ভাবনা তিনি দেখছেন না। যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এই কথা বলছেন সেই সময় বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ ভারতের আইন কমিশনের কাছে চিঠি লিখেছিলেন।
দেশে একইসঙ্গে নির্বাচন হওয়া নতুন কিছু নয়। ভারতের প্রথম চার নির্বাচন ১৯৫২, ১৯৫৭, ১৯৬২ এবং ১৯৬৭-তে হয়েছিল। সারা দেশে বিধানসভার নির্বাচন একইসঙ্গে হয়েছিল। কিন্তু চতুর্থ
লোকসভা নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications