বাংলায় বিজেপির কাজের প্রশংসায় নরেন্দ্র মোদী! জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে পঞ্চায়েতের আগে সংগঠন নিয়ে আলোচনা
বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে ৯ রাজ্যের নির্বাচনের প্রসঙ্গ ছাড়াও উঠে এল বাংলার প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের কাজ ও উৎসাহের প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্র
বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে ৯ রাজ্যের নির্বাচনের প্রসঙ্গ ছাড়াও উঠে এল বাংলার প্রসঙ্গও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের কাজ ও উৎসাহের প্রশংসা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রশংসা পেয়েছে তেলেঙ্গানা বিজেপির কাজও।

বাংলা বিজেপির প্রশংসায় মোদী
২০০ আসন জেতার ডাক দিয়ে ৭৭-এ থেমে যাওয়া। তারপরেই বিজেপি বিধায়কদের দলবদল এবং একের পর এক সন্ত্রাসের অভিযোগের মধ্যেও পশ্চিমবঙ্গে লড়াইয়ে ফিরেছে বিজেপি। এমনটাই মনে করছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে বাংলার সংগঠনের প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠে আসে। সেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বিজেপির এগিয়ে যাওয়াকে প্রশংসা করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

সুকান্ত মজুমদারকে থামিয়ে কথা মোদীর
সূত্রের খবর অনুযায়ী, জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে সেই সময় ভাষণ দিচ্ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সেই সময় তাঁকে থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী কথা বলেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সন্ত্রাসের পরেও দল যেভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, সেই বিষয়টি প্রশংসা করেন তিনি। এই কথা বলার পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদী সুকান্ত মজুমদারকে ফের তাঁর বক্তব্য শুরু করতে বলেন।

সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে দলের অভ্যন্তরে
পঞ্চায়েত ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদী মন্তব্যে দলের একাংশের কর্মীরা চাঙ্গা হবেন। কিন্তু তারপরেও সংগঠন যে সব জায়গায় ভাল নয়, তা প্রকারন্তরে স্বীকার করে নিচ্ছেন রাজ্য বিজেপির নেতারাই। অনেক জায়গাতেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। কোনও কোনও জায়গায় নেতাদের মধ্যে মুখ দেখাদেখিও বন্ধ। সেই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসায় বঙ্গ বিজেপির নিচুতলা কতটা অক্সিজেন পায়, তা সময়ই বলবে।

১০ রাজ্যে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ঝাঁপানোর পরিকল্পনা
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে নয় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনও হতে পারে। সেক্ষেত্রে ১০ টি রাজ্য ধরে নিয়ে সব রাজ্যে জয়ের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বিজেপি। বিজেপির কর্মসমিতির বৈঠকে বিশেষ করে এই ১০ রাজ্যে দলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি এবং জেতার কৌশল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এব্যাপারে হিমাচল প্রদেশে ১ শতাংশের কং ভোটে হারের বিষয়টিও তুলে ধরেন সভাপতি জেপি নাড্ডা। সেখানে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও সকলের জানা। সূত্রের খবর অনুযায়ী যে সব রাজ্যে ভোট রয়েছে, সেইসব রাজ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কমাতে জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জাতীয় কর্ম সমিতির বৈঠকে গুজরাতের সাফল্য নিয়েও আলোচনা হয়। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ভোটে যাওয়া রাজ্যগুলিকে গুজরাত মডেল অনুসরণের পরামর্শ দেন বলে জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications