তিন কৃষি আইন অবশেষে প্রত্যাহার, গুরু পরবে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়ে ঘোষণা মোদীর
কৃষক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয় বিজেপি সরকার। বিজেপি সরকার সেবা ভাবনায় চলে। গুরু নানকের আবির্ভাব দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের কৃষি ভাবনার কথা বিস্তার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
কৃষক কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেয় বিজেপি সরকার। বিজেপি সরকার সেবা ভাবনায় চলে। গুরু নানকের আবির্ভাব দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের কৃষি ভাবনার কথা বিস্তার করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি এদিন তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন। ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থেই এই তিনটি আইন করা হয়েছিল। কিন্তু সবাইকে আমরা বোঝাতে পারিনি। তাই প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে তিনটি কৃষি আইন।

গুরু নানকের জন্মদিনে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদী কৃষক আন্দোলনের মুখে শেষপর্যন্ত পিছপা হলেন। তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব-সহ পাঁচ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মোদীর এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
গুরু নানকের আবির্ভাব দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দেড় বছর পর কর্তারপুর করিডোর খুলেছে। গুরু নানকের জন্মদিনে তিনি দেশবাসীর উদ্দেসে বার্তা দেন, কৃষকরা এবার ক্ষেতে নামুন। তাঁরা আবার কৃষিকাজে মন দিন, তাঁদের দাবি মেনে আমরা তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।
মোদী বলেন, আমরা কৃষকদের দাবিকে সম্মান দিয়েছি বরাবর। আমাদের সরকার কৃষক স্বার্থে কাজ করে। কৃষি কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়েছি আমরা। দেশে আমরা কৃষকদের দুরবস্থা দেখেছি খুব কাছ থেকে। ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থ দেখেই আমরা তিনটি কৃষি আইন করেছিলাম। তাঁদের দাবিকে আরও জোরদার করতেই এই আইন হয়েছিল। এই আইনকে স্বাগত জানিয়েছিলেন দেশেক বহু কৃষক। কিন্তু কৃষকদরে একাংশকে আমরা বোঝাতে পারিনি। তাই তাঁদের আন্দোলনকে সম্মান দিয়ে আমরা কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।
মোদী বলেন, কৃষকরা মরণপণ লড়াই করছে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে। কৃষি আইন প্রত্যাহারের দাবিতে তাঁরা বছরাবধি কাল আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছে। তাঁরা আন্দোলন থেকে সরেননি। বহু কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তবু তাঁরা নমনীয় হয়নি। সেই লাগাতার আন্দোলনের মুখে শেষমেশ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হল।
Recommended Video
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আমরা ক্ষুদ্র কৃষকের স্বার্থ দেখেছি সবার আগে। তাঁদের জন্য বিভিন্ন বমার সুবিধা দিয়েছ। প্রধনমন্ত্রী কৃষ, সমম্না যোজনা থেকে শুরু করে ফসল বিমা দিয়েছি। ক্ষুদ্র কৃষকদের স্বার্থে সরাসরি তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে তাঁদের সরকার। ১ হাজার মান্ডি গড়ে দেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে। এবারও কৃষকদের আন্দোলনকে সম্মান দিয়ে কৃষি আইন প্রত্যাহার করে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications