ত্রিপুরার ১.৪৭ লক্ষ বাসিন্দার হাতে প্রধানমন্ত্রীর 'উপহার' ! প্রথম কিস্তিতে ৭০০ কোটি টাকা তুলে দিলেন মোদী
ত্রিপুরায় প্রায় দেড় লক্ষ পরিবারের মাথার ওপর ছাদের বন্দোবস্ত করতে উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সরকারের।
ত্রিপুরায় প্রায় দেড় লক্ষ পরিবারের মাথার ওপর ছাদের বন্দোবস্ত করতে উদ্যোগ কেন্দ্রীয় সরকারের। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণ (Pradhan Mantri Awaas Yojana Gramin) -এর অধীনে মাথার ওপরে পাকা ছাদের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী মোদী (Narendra Modi) ত্রিপুরায় প্রায় ১.৪৭ লক্ষ বাসিন্দার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৭০০ কোটি টাকার বেশি পাঠিয়ে এই পর্যায়ের কাজের সূচনা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে বিবৃতি
প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জারি করা বিবৃতি অনুযায়ী, ত্রিপুরার ভূ-জলবায়ুগত অবস্থাকে বিবেচনায় রেখে রাজ্যের বসবাস করা এক বিরাট অংশের মানুষের কাঁচা ঘরের সংজ্ঞা বদল করা হচ্ছে। কেন্দ্রের প্রকল্পের ফলে একটা বড় অংশের উপভোক্তা পাকা বাড়ি তৈরির জন্য সাহায্য পাবেন। যেসব বাড়িগুলি বাঁশ, মাটি-খড় দিয়ে তৈরি অর্থাৎ যাদের এক কথায় কাঁচা বাড়ি বলে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যএাজনায় সেইসব বাড়ি পাকা করে দেওয়া হবে।

গত বছরে ভাল কাজ ত্রিপুরার
গত বছরে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির মধ্যে ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-আর্বানের অধীনে ভাল কাজের জন্য প্রশংসা পেয়েছিল। আবাস যোজনায় সব থেকে বেশি বাড়ি ত্রিপুরাতেও তৈরি হয়েছিল। এবার ওই রাজ্যেই গ্রামীণ এলাকায় বসবাস করাদের জন্য এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ক্ষমতায় আসার পরেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের তরফে সব দেশবাসীর মাথার ওপরে পাকা ছাদ তৈরির করে দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। আর স্বাধীনতার ৭৫ তন বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ২০২২ সালের মধ্যে আবাস যোজনায় সবাইকে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও হাজির মুখ্যমন্ত্রী
এদিন প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীন-এ আবেদনকারী ১.৪৭ লক্ষ আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কাজের সূচনা করেন। ভার্চুয়ালি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব এবং কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং।
তবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যএাজনায় পাকা বাড়ি তৈরির পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্য অনেক পিছিয়ে রয়েছে।

পুরভোটের আগে তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত
এমন একটা সময়ে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা গ্রামীণের অধীনে টাকা পাঠানো হল, যার দিন দশের পরেই সেখানে ভোট রয়েছে। সেখানে ৩৩৪ টি আসনের মধ্যে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১১২ টি আসনে অর্থাৎ প্রায় ৩৪ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছে। সব মিনিয়ে ৭৪৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ২২২ টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। এই ৩৩৪ টি আসন রয়েছে আগরতলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের ৫১ টি ওয়ার্ড ছাড়াও ১৩ টি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল এবং ছটি নগর পঞ্চায়েতে।












Click it and Unblock the Notifications