মোদীর বড় পদক্ষেপে বিরোধীদের কৌশল জব্দ! সরকারের বার্তা জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ
কেন্দ্রীয় সরকারের গভর্ন্যান্সের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক যোগাযোগের উপর বরাবরই জোর দিয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। যাচে প্রতিটি বিষয় সম্পর্কে জনমানসে সুস্পষ্ট ধারণা থাকে।
জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের ক্ষেত্রে সমস্ত কিছুর কার্যকরী ব্যাখ্যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর তা অনুধাবন করেই মন্ত্রী ও আধিকারিকদের প্রধানমন্ত্রী দিলেন তাৎপর্যপূর্ণ নির্দেশ।

সরকারের নীতি, সিদ্ধান্ত ও কৃতিত্বের কথা দেশবাসীর কাছে আরও ব্যাপকভাবে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। বিরোধীদের বিভ্রান্তিমূলক প্রচার, মিথ্যা বা অপব্যাখ্যাকে মোকাবিলা করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
রাজনীতির ক্ষেত্রেও কোনও কিছুর ব্যাখ্যার সঠিক নিয়ন্ত্রণ জরুরি। জনমত গঠনে বা জনগণের ধারণা বদলাতে কৌশলী ব্যাখ্যা কার্যকরী হয়ে থাকে। যার প্রভাব পড়ে নির্বাচনের ক্ষেত্রেও। অনেক সময় বিরোধী দলগুলি সরকারের নীতি ও উদ্যোগের খামতির কথা তুলে ধরে এমনভাবে নানা ব্যাখ্যা উপস্থিত করে যাতে সরকারের উদ্দেশ্য, সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়।
মোদী সরকার চাইছে জনগণের কাছে সত্যি বার্তাটা পৌঁছক। যা নিজেদের ট্র্যাক রেকর্ডকে ধরে রাখতে নয়, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস যাতে অটুট থাকে, তা সুনিশ্চিত করতে। বিগত লোকসভা নির্বাচনেও প্রচারে বিরোধী দলগুলি মোদী সরকারকে নিশানা করতে নানাবিধ ব্যাখ্যা হাজির করেছিল।
বিরোধী দলগুলির মধ্যে কংগ্রেস দাবি করেছিল, মোদী সরকার ক্ষমতায় এলে সংবিধান সংশোধন করে অনেক কিছু বদলে দেবে, যা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিগুলিকেই আঘাত করবে। ভোটারদের মধ্যে কিছুটা ভীতি ধরাতেই এমন প্রচার। যদিও বিজেপি তথা নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের এই দাবিগুলিকে নস্যাৎ করে পাল্টা দাবি করেছিল, এর মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা চলছে।
অপব্যাখ্যার মোকাবিলা
বিরোধীরা লোকসভা নির্বাচনের সময় দাবি করেছিল, বিজেপি জিতলে সাংবিধানিক সংশোধনের মাধ্যমে দেশের মৌলিক কাঠামোকেই বদলে দেওয়ার চেষ্টা চালাবে। যদিও এমন কোনও পরিবর্তন হবে না বলে পাল্টা বার্তা দেয় বিজেপি। এই ধরনের অপব্যাখ্যা বা অপপ্রচারের কোনও সুফল যাতে বিরোধীরা না পায় তা নিশ্চিত করতে সতর্ক কেন্দ্র। যেটা সত্যি তা জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্যভাবে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
বিরোধীরা দাবি করেছিল, বিজেপি ফের ক্ষমতায় ফিরলে দেশে অসহিষ্ণুতা বাড়বে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের প্রতি। এর মাধ্যমে বিরোধীদের কৌশল ছিল, বিজেপি যাতে মুসলিমদের ভোট না পায় তা নিশ্চিত করা। সব কা সাথ, সব কা বিকাশ, সব কা বিশ্বাস- স্লোগান দিয়ে বিরোধীদের সেই প্রচারের মোকাবিলা করেছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারবার বলেছেন, ধর্ম বা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সকলের জন্য।
লাদাখে চিনের আগ্রাসন-সহ জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করে বিরোধীরা। ভারতের ভূখণ্ড রক্ষায় বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ব্যর্থ বলে সরব হন কংগ্রেস নেতারা। যদিও কেন্দ্র পাল্টা দাবি করেছে, ভারতের ভূখণ্ডের কোনও অংশ চিন দখল করতে পারেনি। ভারতের সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র, তার ফলেই নিরাপদ গোটা দেশ।
পারস্পরিক যোগাযোগে গুরুত্ব
সম্প্রতি মোদী বিভিন্ন মন্ত্রী, আমলাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানেই তিনি সময়োপযোগী ও কার্যকরী যোগাযোগের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে আরও গতি আনা, জনগণকে সরকারের পদক্ষেপ ও নীতি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল রাখা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এটা শুধু মিথ্যা বা অপব্যাখ্যার মোকাবিলাই নয়, সরকারের কাজকর্ম সম্পর্কে জনমানসে স্বচ্ছ্ব বার্তা দিয়ে তাঁদের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনের চেষ্টা বলেই মনে করা হচ্ছে।
কো-অপারেটিভ ফেডেরালিজমের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা প্রকল্পের সুবিধা রাজ্য সরকারগুলির মাধ্যমে পৌঁছে দিতেও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কেন্দ্র। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একযোগে কাজ করলে সরকারের নানা উদ্যোগের সুবিধা আরও বেশি করে মানুষের কাছে পৌঁছবে বলে বিশ্বাস মোদী সরকারের।
দেশের বিভিন্ন রাজ্যে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তাতে সঠিক তথ্য দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে জনমত গঠনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে মোদী সরকার। নরেন্দ্র মোদী চাইছেন, জনগণকে বিভিন্ন সঠিক বার্তা দিয়ে ভুল বা মিথ্যা প্রচারকে আরও সক্রিয়ভাবে দমন করতে এবং মোদী সরকার যে বিকাশের লক্ষ্য গুড গভর্ন্যান্সকে প্রাধান্য দিয়েই কাজ করতে চায় তা সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা-সহ জনগণের সামনে তুলে ধরতে।
বিরোধীরা যখন কেন্দ্রের সম্পর্কে নানা ভুল বা মিথ্যা ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ, তখন তার মোকাবিলায় মোদীর বড় হাতিয়ার অ্যাকটিভ কমিউনিকেশন। যার মাধ্যমে সরকারের বার্তা আরও দ্রুত ও কার্যকরীভাবে মোদী মানুষের সামনে উপস্থাপিত করতে চান।
গুজব ছড়ায় ঝড়ের গতিতে। এবার সঠিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে আরও বেশি সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মোদী। যাতে মোদী সরকার যে স্বচ্ছ্বতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকরী যোগাযোগ-স্থাপনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে তা পরিলক্ষিত হয়। রাজনৈতিক আঙিনাতেও যাতে কোনও ব্যাখ্যা তৃতীয় মোদী সরকার বা দলকে অস্বস্তিতে না ফেলতে পারে সেজন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপ করলেন নরেন্দ্র মোদী।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ভোটের আগে তৃণমূলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে ইডির তলব -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
অমিত শাহের রাজ্যে থাকার ঘোষণায় তীব্র কটাক্ষ মমতার, বললেন, যত বেশি থাকবে, তত ভোট কমবে -
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ! MRI Scan-এর খরচ আকাশছোঁয়া হতে পারে, বিপাকে পড়তে পারেন রোগীরা -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস












Click it and Unblock the Notifications