কালো পোশাকে কংগ্রেসের বিক্ষোভ! হতাশায় 'ব্ল্যাক ম্যাজিক' অবলম্বন, নিশানা প্রধানমন্ত্রী মোদীর
নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন (Monsoon session)। কিন্তু যেদিন শুরু হয়েছিল এই অধিবেশন অর্থাৎ ১৮ জুলাই থেকেই সংসদের উভয় কক্ষই কার্যত অচল ছিল। বিরোধীদের দাবি এবং সরকারেরতা না মানা, যা নিয়
নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন (Monsoon session)। কিন্তু যেদিন শুরু হয়েছিল এই অধিবেশন অর্থাৎ ১৮ জুলাই থেকেই সংসদের উভয় কক্ষই কার্যত অচল ছিল। বিরোধীদের দাবি এবং সরকারের তা না মানা, যা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা মুলতুবি করে দিতে হয়েছে দুই কক্ষের অধিবেশন। এরপর ৫ অগাস্ট বিভিন্ন ইস্যুতে কংগ্রেস (Congress) সারা দেশে কালো (Black) কাপড় পরে বিক্ষোভ দেখায়। এদিন বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী (Narendra Modi)।

মূল্যবৃদ্ধি ও বেকারির বিরুদ্ধে পথে নেমেছিল কংগ্রেস
মূল্যবৃদ্ধি, বেকারি, নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ওপরে জিএসটি বৃদ্ধি-সহ একাধিক ইস্যুতে রাস্তায় নেমে মিছিল করে কংগ্রেস। রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্গা গান্ধী থেকে অধীর চৌধুরী সবাই কালো কাপড় পরে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন। পুলিশ কংগ্রেস সাংসদদের রাষ্ট্রপতি ভবন চলো অভিযানে বাধা দিলে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাগুল গান্ধী, জয়রাম রমেশের মতো নেতাদের আটক করা হয় এহং টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হয় বলে অভিযোগ। কংগ্রেসের এই আন্দোলন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, ৫ অগাস্ট ছিল রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দিন। কংগ্রেস সংখ্যালঘু তোষণ করতেই এই দিনকে বেছে নিয়েছে।

ব্ল্যাক ম্যাজিক, কটাক্ষ মোদীর
এদিন এক অনুষ্ঠানে এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদী কটাক্ষ করে বলেছেন কংগ্রেস ব্ল্যাক ম্যাজিক অবলম্বন করছে। তিনি বলেছেন, কিছু লোক হতাশা আর নেতিবাচকতায় নিমজ্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এইসব লোকেরা মনে করে কালো পোশাক পরে তারা এই হতাশার সময়কাল অতিক্রম করতে সক্ষম হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দেশের কিছু মানুষ নেতিবাতক ঘূর্ণিতে আটকে পড়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে তাঁরা অবিরাম মিথ্যাচার করলেও জনগণ তাঁগেরকে বিশ্বাস করতে প্রস্তুত নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

নির্বাচনে বেশি ভোট পেতে বিনামূল্যে বিতরণ সংস্কৃতি
পশ্চিমবঙ্গ, দিল্লি-সহ বিভিন্ন রাজ্য বিনামূল্যে অনেক পরিষেবা দিয়ে থাকে। এব্যাপারে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচনে বেশি ভোট পেতে বিতরণ সংস্কৃতি বেছে নেওয়া হয়। তিনি বলেন, রাজনীতি আত্মকেন্দ্রিক হলেযে কেউ বিনামূল্যে পেট্রোল-ডিজেল দেওয়া কথা ঘোষণা করতে পারে। কিন্তু এই ধরনের কাজ দেশের শিশুদের অধিকারী কেড়ে নিতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বসেছেন এই বিষয়টি দেশকে স্বাবলম্বী হতেও
বাধা দেয়। বোঝা বাড়ে কর দাতাদের ওপরে।

সোচ্চার বিজেপি
নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিনামূল্য অনেক সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এই বছরের শেষে মোদী-অমিত শাহের রাজ্য গুজরাতে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এবং শিক্ষার প্রতিশ্রুতিইতিমধ্যেই দিয়েছে আম আদমি পার্টি। যা নিয়ে সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। তারা বিষয়টিকে রেভধি সংস্কৃতি বলে কটাক্ষ করেছে।












Click it and Unblock the Notifications