২২ জানুয়ারি কী হতে চলেছে অযোধ্যায়? প্রাণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে কোন ইঙ্গিত দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী
সংক্রান্তি শেষের পথে। মাঘে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে অযোধ্যায় প্রস্তুতির অন্তিম পর্ব শুরু হয়ে যাবে। আগামী পরশু অর্থাৎ ১৭ তারিখ থেকে শ্রীরামের মূর্তি নিয়ে শোভা যাত্রা শুরু হয়ে যাবে মূল মন্দিরের পথে। কাজেই হাতে আর সময় নেই। ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার।
সেই মাহেন্দ্রক্ষণেই ভগবান রাম সকলকে দর্শন দেবেন। এমনই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেছেন আর কয়েকদিনেরক অপেক্ষা তারপরেই তিনি দর্শন দেবেন। প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগের অনুষ্ঠানের সূচনা করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একাধিক জায়গায় রাম কথা শোনানো শুরু হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রে ভারতের দীর্ঘতম সেতু উদ্বোধনে গিয়ে তিনি মারাঠিতে রামকথা শুনেছিলেন।

অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ। আজ থেকে লখনউ থেকে অযোধ্যা পর্যন্ত হেলিকপ্টার পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি থেকে পাকাপাকি ভাবে শুরু হয়ে যাবে এই হেলিকপ্টার পরিষেবা। ইতিমধ্যে বিমান পরিষেবা শুরু হয়ে গিেয়ছে অযোধ্যায়। সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে পরবর্তীকালে।
৪০,০০০০ মানুষের সমাগম হবে অযোধ্যায় ২২ জানুয়ারি। তার মধ্যে ৪০০০ সন্ন্যাসী রয়েছে। এছাড়া দেশের তাবর শিল্পপতি, মন্ত্রী নেতারা তো রয়েইছে। তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে অযোধ্যার মধ্যে একাদিক পরিষেবা চালু করা হয়েছে। ইলেক্ট্রিক গাড়ি, গলফ গাড়ি সহ একাদিক যান চলবে অযোধ্যায়। রাম পথে চলবে ইলেকট্রক গাড়ি। তীর্থযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে পরিচ্ছন্নতার বার্তা দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেছেন অযোধ্যাকে পরিচ্ছন্ন করে যেন রাখেন সকলে। এদিকে ভিভিআইপিদের আগমনের জন্য নিরাপত্তার কড়াকড়ি করা হচ্ছে। এনএসজির জওয়ানরা। সেই সঙ্গে উত্তর প্রদেশ পুলিশও রয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অযোধ্যাকে সাজিয়ে তুলতে সবরকম প্রচেষ্টা চালাচ্ছে যোগী সরকার। এদিকে অযোধ্যায় যাতে হোটেলের দাম আকাশ ছোঁয়া না হয়ে যায় তার জনয সবরকম িনয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
এদিকে আবার অযোধ্যায় জমি কিনে ফেলেছেন অমিতাভ বচ্চন। অযোধ্যায় জমি কেনার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। সেকারণে জমির দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গিয়েছে। প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানের জন্য শ্রীরামের পোশাক তুলে দেওয়া হয়েছে প্রধান পুরোহিতের হাতে। ১৮ জানুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে যাবে প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। একদিন পুরো অধিবাস হবে। তারপরে মূর্কতির অভিষেক করা হবে। তারপরে চক্ষুদান করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে ১৯ জানুয়ারি। সেদিন অযোধ্যায় উপস্থিত থাকবেন সব ভিভিআইপিরা।












Click it and Unblock the Notifications