কোয়াড সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান সফর মোদীর
কোয়াড সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান সফর মোদীর
প্রায় ৪০ ঘন্টার জাপান সফরে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই অল্প সময়ের মধ্যেই তিন বিশ্ব নেতার সঙ্গে বৈঠক সহ ২৩টি মিটিংয়ে ব্যস্ত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী! ২৪ মে টোকিওতে কোয়াড সম্মেলনে যোগ দেবে মোদী। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের প্রধানমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকছেন এই বৈঠকে৷ প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর জাপান সফরের সময় ব্যবসায়িক, কূটনৈতিক এবং জাপানের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে দেখা করবেন সূত্র মারফত জানা গিয়েছে!

কোয়াড সম্মেলন নিয়ে কী বলছে বিদেশমন্ত্রক
জানা গিয়েছে জাপান সফরে গিয়ে কমপক্ষে ৩৬ জন জাপানি সিইও এবং কয়েক'শ প্রবাসী ভারতীয় সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন মোদী। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে এক রাত এবং বিমানে ভ্রমণ করার সময় দু'রাত কাটাবেন। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কোয়াডের শীর্ষ সম্মেলন৷ এই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদী, বাইডেন এবং তার জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। কোয়াড বাদেও জাপানেই অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন মোদী। কোয়াডের শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের কথা ঘোষণা করার সময়, বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার আমন্ত্রণে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২৪ মে ২০২২-এ টোকিওতে তৃতীয় কোয়াড লিডারস সামিটে অংশ নেবেন।'

ভারতের জন্য কোন সুযোগ তৈরি করবে কোয়াড?
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আরও বলা হয়েছিল, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীও আসন্ন কোয়াড সামিটে নেতাদের ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থের সমসাময়িক বৈশ্বিক সমস্যাগুলির বিষয়ে মতামত বিনিময় করার সুযোগ তৈরি করবে।' কোয়াডে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্র নেতারা কোয়াড উদ্যোগ এবং ওয়ার্কিং গ্রুপের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। একই সঙ্গে অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রগুলির সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করে ভবিষ্যতের সহযোগিতার জন্য কৌশলগত দিক নির্দেশ করবে।'

কোয়াড কী?
কোয়াড্রিল্যাটেরাল সিকিউরিটি ডায়লগ (QSD) যা 'কোয়াড' নামেও পরিচিত৷ এটি আসলে জাপান, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার একটি যৌথ মঞ্চ যা মূলত ভারতীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল' এবং পূর্ব চিন সাগর, দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের দাদাগিরি নিয়ন্ত্রণ করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হয়৷ ২০০৭ সালে কোয়াডের ধারণা শুরু হলেও মূলত ২০১৭ সাল থেকেই ফুলফর্মে কাজ শুরু করেছে কোয়াড। ২০২১ এর মার্চ-এ, স্পিরিট অফ দি স্কোয়াড প্রকাশ করা হয়েছিল, যেখানে বলা হয়েছিল, 'মুক্ত-উন্মুক্ত ভারতীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল'।












Click it and Unblock the Notifications