রাজ্যসভায় 'বিতর্কিত' দিল্লি সার্ভিস বিল! মোদীর ভরসা সেই দুই 'বিরোধী' দল
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল শুক্রবার জারি করা কেন্দ্রের দিল্লি সার্ভিস বিলের বিরোধিতা করার জন্য সবকটি বিরোধী দলের কাছে আহ্বান জানিযেছেন। সেই পরিস্থিতিতেই এই বিল রাজ্যসভায় পাশ করাতে আশাবাদী বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এব্যাপারে .তারা দুই বিরোধী দলের ওপরে ভরসা করছে।
সুপ্রিম কোর্ট তাদের নির্দেশিকায় জানিয়েছিল দিল্লির আইএএস, আইপিএসদের বদলির বিষয়টি দিল্লির সরকারই দেখবে। গত কয়েকমাসে এই বিষয়টি নিয়ে কেজরিওয়াল সরকার এবং দিল্লির উপরাজ্যপালের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যে কারণে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই কেন্দ্রের তরফে অর্ডিন্যান্স জারি করে সেই ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয় উপরাজ্যপালের হাতেই।

আসন সংখ্যার শক্তি অনুযায়ী বিজেপি এই অর্ডিন্যান্সকে বিলের আকারে লোকসভায় পাশ করিয়ে নিতে পারবে অনায়াসেই। রাজ্যসভাতেই যত গণ্ডগোল। সেই রাজ্যসভায় এনডিএ-র বর্তমান শক্তি ১১০। এরপরেই মনোনীতদের সংখ্যা ধরে আরও কয়েকটি আসন বাড়তে পারে বিজেপির তরফে।
এই দুই দলের দুই সরকার রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশায়। দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগনমোহন রেড্ডি এবং নবীন পট্টনায়েক ইতিমধ্যেই বিরোধীদের সঙ্গে যোগদানের আহ্বান ফিরিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই বিজেপির আশা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

অন্যদিকে রাজ্যসভায় মোট আসন ২৫০। তবে কার্যকর শক্তি ২৩৮। ১২ জনকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন। তবে ২৩৮ ধরলেও, বিজেপি তথা এনডিএ-র আসন অন্তত নটি কম। সেই আসনের ঘাটতি পূরণ করে দিতে পারবে ওয়াইএসআর কংগ্রেস এবং বিজেডি।
এই দুই দল সরাসরি যেমন বিজেপির বিরোধিতা করে না, আবার বাকি বিরোধীদের আহ্বানে সাড়া দেয় না। সেই কারণে বিজেপি দিল্লি পরিষেবা বিল সংসদের উভয়কক্ষে পাশ করিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। সম্প্রতি বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। কিন্তু নবীন পট্টনায়েক বিষয়টিকে কোনও গুরুত্বই দেননি।

রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিজেপির মুখপাত্র অনিল বালুনির দাবি, দিল্লির পরিষেবা নিয়ে কেন্দ্রের আনা অর্ডিন্যান্সটি সেখানকার জনগণের স্বার্থেই। সংবিধান অনুসরণ করেই এই অর্ডিন্যান্স জারি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন গেরুয়া শিবিরের এই নেতা।
এই নেতা আরও দাবি করেছেন সংসদের উভয় কক্ষে এনডিএ-র পর্যাপ্ত সংখ্যা রয়েছে। ওছাড়াও অন্য দলগুলিও বিল পাশের সময় এগিয়ে আসবে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এই বিলে কংগ্রেস কোন দিকে ভোট দেয় তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications