হিন্দু ধর্ম, ভারত এবং বহুত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ! চিকাগো ভাষণের দিনে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ মোদীর
স্বামী বিবেকানন্দের (swami vivekananda) ১১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩-এর চিকাগো (chicago) ভাষণকে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী (narendra modi)। এদিন করা টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হিন্দু ধর্ম, ভারত এবং দেশের বহুত্বের প্রত
স্বামী বিবেকানন্দের (swami vivekananda) ১১ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৩-এর চিকাগো (chicago) ভাষণকে স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী (narendra modi)। এদিন করা টুইটে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হিন্দু ধর্ম, ভারত এবং দেশের বহুত্বের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।

বিবেকানন্দকে স্মরণ মোদীর
এদিন টুইটে স্বামী বিবেকানন্দকে স্মরণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিকাগোতে স্বামীজির আইকনিক ভাষণের কথা তুলে ধরে বলেছেন, স্বামী বিবেকানন্দের ১৮৯৩ সালের ভাষণ সুন্দরভাবে ভারতীয় সংস্কৃতির নৈপুণ্যকেই প্রদর্শন করেছে।
তবে শুধু এবারই নয়, এর আগেও প্রধানমন্ত্রী মোদীকে দেখা গিয়েছে সংসদে ভাষণের সময় বাংলার মনীষীদের স্মরণ করতে।

ধর্ম মহাসভায় বিবেকানন্দ
প্রসঙ্গত ১৮৯৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বিবেকানন্দ চিকাগোতে ধর্ম মহাসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন। যার মাধ্যমে স্বামীজি পশ্চিমী বিশ্বের কাছে বেদান্ত ধারণা এবং আদর্শের পরিচয় চুলে ধরেছিলেন বলেই মনে করেন অনেকে। আর বিশ্ব ধর্ম সংসদে এই বক্তৃতার পরেই স্বামীজি পশ্চিমী বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। নরেন্দ্র নাথ দত্ত ওরফে স্বামীজি ১৯ শতকে রামকৃষ্ণের প্রধান শিষ্য এবং রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

ধর্মের জন্য গর্বিত, বলেছিলেন বিবেকানন্দ
বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, তিনি এমন একটি ধর্মের জন্য গর্বিত যা বিশ্বকে সহনশীলতা এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্য, উভয়ই শিখিয়েছে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা কেবল সহনশীলতায়ই বিশ্বাস করেন না, তাঁরা সকল ধর্মকে সত্য হিসেবেও গ্রহণ করেছেন। স্বামীজি বলেছিলেন, তাঁরা এমন একটি জাতির যা নির্যাতিত এবং সব ধর্মের এবং পৃথিবীর সমস্ত জাতির শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে।

গোঁড়ামি ও ধর্মান্ধতার সমালোচনা করেছিলেন
স্বামীজি সাম্প্রদায়িকতা, গোঁড়ামি এবং ধর্মান্ধতার কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এইসবের জন্যই পৃথিবীতে হিংসা। যার জেরে সভ্যতা ধ্বংস হয়েছে এবং জাতিকে হতাশার মধ্যে নিয়ে গিয়েছে। তিনি আরও বলেছিলেন, যদি এসব না থাকত, তাহলে মানব সমাজ এখনকার তুলনায় আরও অনেক ভাল হত। বিশ্ব ধর্ম মহা সম্মেলনে স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন, তিনি আশা করেন, ওইদিন সকালে যে ঘন্টা বাজানো হয়েছিল, তা সব ধর্মান্ধতা, নিপীড়ন দূর করবে।
স্বামী বিবেকানন্দকে ভারতে হিন্দু ধর্মের পুনরুজ্জীবনের অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবেই মনে করেন অনেকে। ১৯ শতকের শেষ দিকে তিনি হিন্দু ধর্মকে বিশ্বের অন্যতম বড় ধর্মের মর্যাদায় নিয়ে যান বলেও মনে করেন বহহু মানুষ। ১২ জানুয়ারি স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিনকে জাতীয় যুবদিবস হিসেবেও পালন করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications