মাটিতে ঘুমোচ্ছেন, খাবার শুধুমাত্র নারকেলের জল, রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে কঠোর সংযমে প্রধানমন্ত্রী মোদী
অযোধ্যার রাম মন্দিরের দরজা খুলবেই সকলের জন্য ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হতে চলেছে। তার আগে থেকেই কঠোর সংযমে রয়েছেন তিনি। রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠান অনুষ্ঠানে থাকবেন তিনি।
তাই ১১ দিন আগে থেকেই ব্রত পালন শুরু করে দিয়েছেন। গত পরশু থেকে কঠোর সংযম শুরু করেছেন তিনি। সারাদিনের খাবার বলতে কেবল নারকেলের জল। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছিলেন ঈশ্বর তাঁকে রাম মন্দিরের উদ্বোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করেছেন। তাই তিনি সব সংযম এবং রীতিনীতি মেনেই কাজ করবেন। সেকারণে ১১ দিন আগে যম নিয়ম পালন করা শুরু করেছেন।

এই যম নিয়মে একাধিক পর্যায় রয়েছে। কঠোর সংযমের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। যোগা, মেডিটেশনের সঙ্গে একাধিক সংযম করতে হয়। তার মধ্যে একটা মাটিতে শোয়া। এই ১১ দিন ধরে তিনি মাটিতে শুচ্ছেন। খাবার হিসেবে সারাদিনে কেবল নারকেলের জল পান করছেন। প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য উপস করে থাকতে হবে সেদিন।
ইতিমধ্যেই গর্ভগৃহে নিয়ে আসা হয়েছে রামলালার মূর্তি। ১৭ জানুয়ারি দিনভর নিজের প্রাসাদ পরিদর্শন করেছেন অযোধ্যার রাজা রাম। বৃহস্পতিবার কাকভোরে ট্র্যাকে করে নিয়ে মন্দিরের গর্ভগৃহের মধ্যে নিয়ে আসা হয় মূর্তি। তারপরে ক্রেনে করে সেটা বসানো হয় গর্ভগৃহের বেদিতে। তার আগে সেখানে বিশেষ পুজো করা হয়েছে।
আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হবে অনুষ্ঠান। চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। তার আগে অধিবাস হবে তিন দিন ধরে। দেবদেবীদের আবাহনের পুজো শুরু হয়ে গিয়েছে অযোধ্যায়। তারপরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা। প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ৭০০০ অতিথি সেদিন থাকবে অযোধ্যায়। সেই তালিকায় বলিউড তারকা থেকে শুরু করে শিল্পপতিরা। থাকবেন নেতা মন্ত্রীরাও।
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে অযোধ্যা। এনএসজি জওয়ান থেকে শুরু করে কমান্ডো বাহিনী, উত্তর প্রদেশ পুলিশ, এনডিআরএফ,এসডিআরএফ জওয়ানরা গোটা অযোধ্যা ঘিরে ফেলেছে। সিসিটিভির সঙ্গে ড্রোনেও চলছে নজরদারি। কোনও রকম নিরাপত্তার গাফিলতি যাতে না থাকে সেদিকে কড়া নজর রেখেছে যোগী সরকার।
ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে অযোধ্যায় উপহার এসে গিয়েছে। উত্তর প্রদেশের এটা থেকে পাঠানো হয়েছে অষ্টধাতুর বিশালাকৃতির একটি ঘণ্টা। হায়দরাবাদ থেকে এসেছে ২১ কেজির লাড্ডু। বৃন্দাবন থেকে এসে পৌঁছেছে রামলালার পোশাক, খেলনা। বাঁকে বিহারের মন্দির থেকে পাঠানো হয়েছে সেই উপহার। আহমেদাবাদ থেকে এসেছে বিশালাকৃতির একটি ড্রাম।












Click it and Unblock the Notifications