দেশের প্রথম RRTS-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! 'নমো ভারত'-এ চড়ে এবার দিল্লি থেকে মিরাট
দেশের প্রথম RRTS-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রিজিওনাল র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেম চালুর সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী সাহিদাবাদ এবং দুহাই ডিপোর সঙ্গে সংযোগকারী র্যাপিড ট্রেনের পতাকা নাড়েন। এটি দেশের প্রথম র্যাপিড-এক্স ট্রেন, যা নমো ভারত নামে পরিচিত হবে।
রিজিওনাল র্যাপিড ট্রানজিট সিস্টেমের উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী ক্রুদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি সাহিবাদাবাদে রোড শো করেন। রোড শো শেষ হলে জনসাধারণের উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সতেরো কিমি দীর্ঘ দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডর এদিনের উদ্বোধনের পরে ২১ অক্টোবর থেকে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়কমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন, আরআরটিএস প্রকল্পটি কোটি কোটি মানুষের আকাঙ্খার সঙ্গে সম্পর্কিত।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তরফে বুধবার বলা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী মোদী সাহিদাবাদ এবং দুহাই ডিপোর সংযোগকারী র্যাপিডক্স ট্রেনকে পতাকা নেড়ে আরআরটিএসের সূচনা করবেন। আরও বলা হয়েছিল দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডর ১৭ কিমি দীর্ঘ।
২০১৯-এর ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মেদী দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট আরআরটিএস করিডরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। বিশ্বমানের পরিবহণ পরিকাঠামো তৈরির মাধ্যমে দেশে আঞ্চলিক সংযোগে গতি আনতে আরআরটিএস প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে। এর গতিবেগ প্রতিঘন্টায় ১৮০ কিমি।
জাতীয় রাজধানী অঞ্চলে মোট আটটি আরআরটিএস করিডর চিহ্নিত করা হয়েছে। যার মধ্যে তিনটি করিডর প্রথম ধাপে বাস্তবায়নের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে, দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট, দিল্লি-গুরুগ্রাম-এসএনবি-আলোয়ার এবং দিল্লি-পানিপথ। দিল্লি-গাজিয়াবাদ-মিরাট করিডর তৈরিতে ব্যয় করা হয়েছে ৩০ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
এদিনের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, উত্তর প্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দী বেন প্যাটেল, বিজেপির রাজ্য সভাপতি ভূপেন্দ্র চৌবে এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী জানিয়েছেন আরআরটিএস ট্রেনগুলি নমো ভারত নামে পরিচিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications