'প্রধানমন্ত্রী VIP সংস্কৃতির সম্পূর্ণ বিরোধী...,' হজ কোটা উঠতেই বললেন স্মৃতি ইরানি
হজ যাত্রায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। তুলে দেওয়া হল ভিআইপি কোটা। আর এরপরেই এই ইস্যুতে মুখে খুললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মোদীর প্রশংসা করে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যে কোনও ধরণের ভিআইপি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে। শুধু
হজ যাত্রায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। তুলে দেওয়া হল ভিআইপি কোটা। আর এরপরেই এই ইস্যুতে মুখে খুললেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। মোদীর প্রশংসা করে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী যে কোনও ধরণের ভিআইপি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, কোনও ধরণের ভিআইপি সংস্কৃতিরকেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সমর্থন করেন না বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী।

আর সেজন্যে লাল বাতি এবং লাল বাতি লাগানো গাড়ির মতো পুরানো নিয়মকেও শেষ মোদী শেষ করে দিয়েছেন বলে এদিন জানান তিনি।
ভারত সরকার শীর্ষ সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তি এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রকের আধিকারিকরা জন্যে হজে কোটা ছিল। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিংবা হজ কমিটির কোনও সদস্যের কোটা থেকে অন্তত ৫০০ জন হজে যেতে পারতেন। আর সেটাই বাতিল করার সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে সম্প্রতি। গুরুত্বপূর্ণ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন একাধিক কেন্দ্রীয়মন্ত্রী থেকে বিজেপি নেতাও।
আর তা তুলে ধরেই কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, আগে মন্ত্রীদের ধরে বিমানে যাওয়া পাওয়ার চেষ্টা চলত। কিন্তু এখন সেই কালচারকে সমাপ্ত ঘোষণা করে দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। ফলে এখন থেকে সবাইকেই সাধারণ মানুষের মতোই যেতে হবে বলে এদিন মন্তব্য করেন স্মৃতি ইরানি। তাঁর কথা মতো প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি জন্যে থাকা কোটা ছেড়ে দেওয়ার মানে দেশে ভিআইপি সংস্কৃতির শেষ হওয়ার সময় এসে গেছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রীর জন্যে হজে যাওয়ার জন্য বেশ কিছু কোটা ছিল। যেমন ১০০ টি কোটা রাষ্ট্রপতির থেকে। উপ রাষ্ট্রপতির জন্যে ৭৫ টি কোটা রয়েছে। এমনকি ৭৫ টি কোটা আছে প্রধানমন্ত্রীর জন্যেও। এমনকি সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী হিসাবে ৫০ টি কোটা পেতেন। তবে হজ কমিটি বরাদ্দে সবথেকে বেশি আসন থাকত। প্রায় ২০০ টি আসন ছিল। কিন্তু নতুন হজ কমিটির নীতি গঠন করা হয়েছে। আর তাতে এই কোটা কালচার একেবারের জন্যেও বিলুপ্ত করা হয়।
বলে রাখা প্রয়োজন, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভিআইপি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কার্যত গর্জে উঠেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। একাধিক বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। লাল বাতি ব্যবহারেও কড়াকড়ি করা হয়। এমনকি মন্ত্রী এবং আমলাদের বিদেশ যাত্রা নিয়েও একের পর এক সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে দাঁড়িয়ে এবার হজে কোটা সংস্কৃতি তুলে দেওয়া হল।












Click it and Unblock the Notifications