বাম-কং-এর অ্যাজেন্ডা পকেট ভরানো! প্রচারের শেষ দিনে ত্রিপুরায় উন্নয়নের বর্ণনা মোদীর
ভোট প্রচারের শেষ দিনে ত্রিপুরায় ফের একবার ডাবল ইঞ্জিন সরকার তৈরির আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখানে তিনি একাধিক প্রতিশ্রুতিও দেন।
বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ত্রিপুরায় ফিরতে চলেছে বিজেপি সরকার। এমনটাই দাবি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগরতলার স্বামী বিবেকনান্দ ময়দানে বিজয় সংকল্প জনসভা করেন। সেখান থেকে তিনি ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধার কথা বুঝিয়ে বলেন। প্রধানমন্ত্রী এদিন ত্রিপুরার মহারাজা রাধা কিশোর মাণিক্য বাহাদুরের প্রশংসা করেন।
|
আগরতলার আস্তাবল ময়দানে প্রধানমন্ত্রী মোদী
ত্রিপুরার উন্নয়নে বেটা দিন-রাত কাজ করে চলেছে। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারের শেষ দিনে এইভাবেই সেখানকার মানুষের একজন হয়ে উঠতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন তিনি ত্রিপুরায় ফের একবার ডাবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাহলে টাকা মাঝ পথে নষ্ট হয় না। তিনি বলেন, ত্রিপুরার বিজেপি সরপকার গত ২৫-৩০ বছরের বাম শাসনের খোঁড়া গর্ত ভরাত করতে দিনরাত কাজ করে চলেছে।
|
প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী এদিন রাজ্যবাসীকে আস্বস্ত করে বলেন, যাঁরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে পাকা বাড়ি পাননি, রাজ্যে বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণের পরেই প্রত্যেকে পাকা বাড়ি পাবেন। তিনি দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অধীনে পাকা বাড়ি তৈরিতে ত্রিপুরা অনেক রাজ্যকে পিছনে ফেলেছে। তিনি বলন ত্রিপুরা ভারতের গর্ব। এই পরিচয়কে একবিংশ শতাব্দীতে নতুন মাত্রা দিতে, বিজেপি হাইওয়ে, রেলওয়ে ও এয়ারওয়ের সংকল্প গ্রহণ করেছে।
|
কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছে বহু মানুষ
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়ুষ্মাণ ভারত প্রকল্পে ত্রিপুরার ২ লক্ষের বেশি মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবার সুবিধা পেয়েছেন। তিনি বলেন, আগরতলা উত্তর-পূর্বের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হয় উঠেছে। মৈত্রী সেতুর মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দর শহরের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার এই অঞ্চল আন্টর্জাতিক বাণিজ্যের বৃহত্তম বাজার হয়ে উঠতে চলেছে বলেও জানিয়েছএন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের আধুনিক পরিকাঠামো দেখে অনেকেই অবাক। ত্রিপুরায় নতুন হাইওয়ে, গ্রামীণ রাস্তা এবং নতুন রেললাইন তৈরি করা হয়েছে।
|
ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুবিধা
প্রধানমন্ত্রী মোদী এদিন ত্রিপুরায় ডাবল ইঞ্জিন সরকারের দ্বিগুণ সুবিধার কথা সভায় আসা মানুষজনকে বুঝিয়ে বলেন। তিনি বলেন এর অন্যতম উদাহরণ হল প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনা। এই যোজনার অধীনে কৃষকদের দেওয়া সম্মানের পরিমাণ ৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।
|
বাম-কংগ্রেসকে নিশানা
প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে বাম-কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে বলেন, এদের অ্যাজেন্ডা হল পকেট ভরানো। তিনি বলেন, আগে দিল্লি থেকে ১ টাকা পাঠানো হলে, ১৫ পয়সা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছত। এখন পুরো টাকাই সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে যায় এবং ভবিষ্যতেও পৌঁছে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাম-কংগ্রেস ত্রিপুরার উন্নয়ন করতে পারে না। তারা চায় রাজ্যের মানুষ যেন গরিব হয়েই থাকে। তিনি অভিযোগ করেন, কমিউনিস্টরা রাজ্যে তিন দশক ধরে শাসন করেছে আর প্রতি নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হত্যা করেছে।












Click it and Unblock the Notifications