Narendra Modi: নারী নির্যাতনের অপরাধে আইন হবে আরও কঠোর, মমতার চিঠি পেয়েই আশ্বাস মোদীর
Narendra Modi: আরজি কর হাসপাতাল থেকে শুরু করে মহারাষ্ট্রের বাদলাপুর, কিংবা অসম। দেশের নানা প্রান্তে খুন, ধর্ষণ, যৌন হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে।
এই আবহে আজ নারী নির্যাতনকারীদের জন্য কঠোর আইন প্রণয়নের আশ্বাস দিলেন। সম্প্রতি, একই দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছে। তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। মহারাষ্ট্রের স্কুলপড়ুয়াদের যৌন নির্যাতন ও অসমে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই আবহে আজ মোদী ছিলেন লাখপতি দিদি সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে।
আরজি কর কাণ্ডের ঘটনার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বিচার প্রক্রিয়ার দীর্যসূত্রিতার দরকার নেই। সমস্ত প্রমাণ যেখানে রয়েছে সেখানে অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রয়োজনে এনকাউন্টার করা যেতে পারে।
কেন্দ্র এমন আইন আনলে তৃণমূল-সহ সব দলের তা সমর্থন করা উচিত বলেও মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক। এরপর তিনি এই সংক্রান্ত টুইট করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠিকে লেখেন। কঠোর আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিতেও তিনি পরামর্শ দেন।
মহারাষ্ট্রের জলগাঁওয়ে আজ মোদী বলেন, অপরাধীদের যাতে মহিলাদের উপর অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে সেজন্য আমরা আইন আরও কঠোর ও শক্তিশালী করছি। মহিলাদের ন্যায়বিচার দেওয়ার লক্ষ্যেই ভারতীয় ন্য়ায় সংহিতা লাগু করা হয়েছে বলে জানান মোদী।
মোদী বলেন, আগে অভিযোগ আসতো এফআইআর দায়ের করতে না পারার। সে কারণে বেশ কিছু সংশোধন করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা চালু করা হয়েছে। থানায় যদি কোনও মহিলা যেতে না পারেন সেক্ষেত্রে ই-এফআইআর দায়ের করা যেতে পারে। ই-এফআইআর কোনওভাবেই কেউ নষ্ট করতে পারবে না।
মহিলাদের সঙ্গে সংঘটিত অপরাধ দমনে কেন্দ্র সরকার সবরকমভাবে সমস্ত রাজ্য সরকারের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন মোদী। তিনি বলেন, আমি একটি চ্যালেঞ্জ করতে পারি। আগের সরকারের সাত দশক একদিকে রাখা হোক। মোদী সরকারের ১০ বছর আরেক দিকে। দেশের কন্যা, বোনদের জন্য মোদী সরকার যা করেছে স্বাধীনতার পর তা আর কেউ করে দেখাতে পারেনি।
মোদী এদিন লাখপতি দিদি প্রকল্পের উপভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলেন। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ১ লক্ষ টাকা করে লোন দেওয়ার প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র। ২.৩৫ লক্ষ স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ২৫.৮ লক্ষ মহিলাকে এদিন এই প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হলো। ব্যাঙ্ক লোন দেওয়া হলো ৫ হাজার কোটি টাকার।
কেন্দ্রীয় সরকারের টার্গেট লাখপতি দিদির উপভোক্তার সংখ্যা ৩ কোটিতে নিয়ে যাওয়ার। ইতিমধ্যেই উপভোক্তা ১ কোটি ছাড়িয়েছে। মহিলাদের স্বনির্ভর করতে এবং অর্থনৈতিকভাবে বিকশিত করতে মহারাষ্ট্র সরকারের উদ্যোগের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications