আযোধ্যা, বারাণসী মন্দিরে হামলার ছক! দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য
দিল্লির লালকেল্লা সংলগ্ন মেট্রো স্টেশনের কাছে গাড়ি বিস্ফোরণ মামলায় উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। সূত্রের দাবি, এই ঘটনায় যুক্ত জঙ্গি মডেলের লক্ষ্য শুধু দিল্লি নয় উত্তরপ্রদেশের ধর্মীয় স্থান, বিশেষ করে আযোধ্যা ও বারাণসীর মন্দিরগুলিও ছিল তাদের নিশানায়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে ড. শাহিন শাহিদের নেতৃত্বে একটি 'স্লিপার সেল' বা গুপ্তচক্র ইতিমধ্যেই আযোধ্যায় সক্রিয় ছিল। পরিকল্পনা ছিল সেখানে বড়সড় বিস্ফোরণ ঘটানোর। কিন্তু ঠিক তার আগেই এন্টি টেররিজম স্কোয়াড ও স্থানীয় পুলিশের একাধিক অভিযানে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ও ধরা পড়ে গোটা নেটওয়ার্কের যোগসূত্র।

তদন্তকারীদের মতে, লালকেল্লার কাছে হওয়া গাড়ি বিস্ফোরণটি সম্ভবত ওই মডেলের মূল পরিকল্পনার অংশ ছিল না। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, বিস্ফোরকটিতে কোনও টাইমার বা রিমোট ট্রিগার ছিল না। অনুমান করা হচ্ছে, জঙ্গিরা যখন বিস্ফোরক পরিবহন করছিল, তখন হঠাৎই তাড়াহুড়োয় সেটি ফেটে যায়। সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে পুলিশি ধরপাকড়ের পর তারা চাপে পড়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ।
জেরায় আরও জানা গেছে, শুধুমাত্র ধর্মীয় স্থান নয় হাসপাতাল ও জনবহুল এলাকায় হামলার ছকও কষা হয়েছিল। অভিযুক্তদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে এমন একটি তালিকা, যেখানে হাসপাতাল সহ বেশ কিছু ভিড় জমে এমন স্থানের নাম ছিল। নিরাপত্তা সংস্থা এখন খতিয়ে দেখছে ওই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ মাধ্যম, ডিজিটাল প্রমাণ ও উত্তর ভারতের অন্যান্য জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে সংযোগ।
উল্লেখ্য, সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের গেট নম্বর ১ এর কাছে পার্ক করা একটি হুন্ডাই আই ২০ গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে প্রাণ যায় অন্তত ১২ জনের, আহত ২০ জনেরও বেশি। আগুনে পুড়ে যায় একাধিক গাড়ি। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা নিহতদের পরিবারপিছু ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন।
এখন ঘটনাটি তদন্ত করছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি তথা এনআইএ । কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই সংস্থাটিকে নির্দেশ দিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দিতে।












Click it and Unblock the Notifications