Adani US Bribery Case: আদানি ঘুষকাণ্ডে তদন্ত চেয়ে এবার মামলা সুপ্রিম কোর্টে, নিয়ম না মেনে সমন আমেরিকার?
Adani US Bribery Case: সোলার পাওয়ার প্রকল্পের বরাত পাওয়ার জন্য ভারত সরকারের আমলাদের ২৬.৫ কোটি ডলার ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আদানি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আদানিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও (Arrest Warrant) জারি করেছে আমেরিকার আদালত। এবার সেই অভিযোগে ভিত্তিতে তদন্ত শুরুর দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)।
শীর্ষ আদালতে আদানির বিরুদ্ধে মামলা করেছেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি। তাঁর দাবি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের এই অভিযোগ আদানি গোষ্ঠীর কুকীর্তির পর্দাফাঁস করে দিয়েছে। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে সেগুলির বিরুদ্ধে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলিরও তদন্ত করা উচিত বলে দাবি ওই আইনজীবীর। অন্তত দেশের স্বার্থে তদন্ত করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

আদালতে অভিযোগপত্রে ভারতের স্টক এক্সচেঞ্জ বোর্ডেরও কড়া সমালোচনা করেন আইনজীবী বিশাল তিওয়ারি। বলেন, "২০২৩ সালের হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টেও আদানিদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করা হয়েছিল। গত ৩ জানুয়ারি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই তদন্ত এখনও শেষ করতে পারেনি সেবি।" মামলার তদন্ত করতে সেবি সক্ষম নয় বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ওই আইনজীবী।
এদিকে, ঘুষকাণ্ডে গৌতম আদানি ও সাগর আদানিকে সমন (Summon) পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশন। সোলার পাওয়ার চুক্তিতে ২,২০০ কোটির ঘুষ মামলায় আমেরিকায় তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। শনিবার দুই শিল্পপতির বাড়িতে এসে পৌঁছয় সমনের চিঠি। কিন্তু এভাবে ডাকব্যবস্থা মারফত চিঠি পাঠিয়ে কোনও বিদেশি নাগরিককে ডাকা যায় না বলেই সূত্রের খবর।
এনিয়ে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ৫৮ বছর আগে এক চুক্তিও হয়েছিল। ১৯৬৫ এর হেগ কনভেনশনে পারস্পারিক আইনি সহায়তা সম্পর্কিত চুক্তিতে আবদ্ধ হয় দুই দেশ। সেই মোতাবেক নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বন করে তবেই আদানিদের সমন পাঠাতে হবে মার্কিন সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ বোর্ডকে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এখনও পর্যন্ত কোনও আইনি সমনই পাঠানো হয়নি আদানিদের।












Click it and Unblock the Notifications