Digital Arrest: ৪০ লক্ষ টাকা চেয়ে ৩০ ঘণ্টা 'ডিজিটাল অ্যারেস্ট'! পুলিশি সহায়তায় ঘরে ফিরলেন আইটি কর্মী
Digital Arrest: ডিজিটাল অ্যারেস্টের ফাঁদে হায়দরাবাদের বছর চুয়াল্লিশের তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী (IT employee)। আর্থিক তছরূপের মিথ্যে অভিযোগ তুলে প্রায় ৩০ ঘণ্টা ডিজিটাল অ্যারেস্ট করে রাখা হয় তাঁকে। শেষে প্রযুক্তিগত ত্রুটির জেরেই মুক্তি পান তিনি। সর্বস্ব খোয়াতে গিয়েও পুলিশের সহায়তায় অবশেষে সাইবার প্রতারকদের হাত থেকে রক্ষা পান ওই তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী।
ঠিক কী ঘটেছিল?
জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের আইটি কর্মীকে টাকা পাচারের (Money Laundering) মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে ভয় দেখায় সাইবার অপরাধীরা (Cyber Criminals)। ২৬ অক্টোবর ভোররাত ৩টে নাগাদ ওই ব্যক্তিকে মুম্বই পুলিশের (Mumbai Police) পরিচয় দিয়ে ফোন করে অপরাধীরা। বারবার মেসেজ, ভয়েস কল ও ভিডিয়ো কল করে ভয় দেখানো শুরু হয়।

এরপর ফোন করে অপরাধীরা তাঁকে ফোন না কাটার হুমকি দেয়। কথা বন্ধ করলে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এরপরই ওই আইটি কর্মীর কাছে ৪০ লক্ষ টাকা দাবি করে সাইবার অপরাধীরা। ৪০ লক্ষ টাকা দিলে সব সমস্যা মিটে যাবে বলে জানানো হয়। এভাবে প্রায় ২৫ ঘণ্টা ধরে কথা বলতে বাধ্য করে অপরাধীরা।
পরিবারকে জানালে ফল ভালো হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয় ফোনের ওপাড় থেকে। এমনকি ভুয়ো এফআইআর ও মামলার নথিও দেখানো হয়। ভয় পেয়ে ব্যাঙ্কে রাখা আমানতের পরিমাণও বলে দেন ওই কর্মী। প্রতারকদের নির্দেশ মেনে বাড়ি ছেড়ে বাইকে করে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি লজে গিয়ে ওঠেন ওই কর্মী। বাইক চালানোর সময়েও তাকে ফোন না কাটার নির্দেশ দিয়েছিল অপরাধীরা।
অবশেষে ২৭ অক্টোবর ভোর ৪টে নাগাদ যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে কোনওভাবে ফোন কেটে যায়। তড়িঘড়ি সাইবার ক্রাইম পুলিশকে গোটা ঘটনা জানান ওই কর্মী। ঘটনা শুনে কনস্টেবল এম গণেশ ওই কর্মীকে আশ্বস্ত করেন। ওই কর্মীর প্রতিবেশীর নম্বর জোগাড় করে লজে গিয়ে হেনস্থার শিকার হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে বলেন পুলিশ কনস্টেবল।
ঘটনার পর মানসিকভাবে খুবই বিধ্বস্ত ছিলেন ওই কর্মী। ব্যক্তিগত ফোন থেকে তাঁর সঙ্গে ১ ঘণ্টা টানা কথা বলে পুলিশ। ভয় না পেয়ে তাকে প্রতারকদের সমস্ত নম্বর ব্লক করতে বলা হয়। পাশাপাশি ওই কর্মীকে কোনও রকম চরম পদক্ষেপ না নিতেও বলেন পুলিশকর্মীরা। পরে প্রতিবেশী গিয়ে তাঁকে লজ থেকে উদ্ধার করেন।












Click it and Unblock the Notifications