১ মাসে মৃত এয়ার ইন্ডিয়ার ৫ বরিষ্ঠ পাইলট, টিকাকরণ ক্ষোভে ফেটে পড়ছে পাইলট ইউনিয়ন
মে মাসে প্রাণ গেল এয়ার ইন্ডিয়ার ৫ বরিষ্ঠ পাইলটের
একের পর এক পাইলটের মৃত্যুর জেরে উদ্বেগ বাড়ছে দেশের বিমান কর্মীদের মধ্যে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে নারাজ কর্মীরা। কয়েকদিন আগেই এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলটদের ইউনিয়ন ইন্ডিয়ান কমার্শিয়াল পাইলটস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল যে টিকা না পেলে কর্মবিরতিতে যাবেন তাঁরা। এদিকে এয়ার ইণ্ডিয়া সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত তাদের ৫ জন সিনিয়র পাইলট শুধুমাত্র করোনা সংক্রমণের জেরে প্রাণ হারিয়েছেন।

মারা গেলেন ৫ বরিষ্ঠ পাইলট
কয়েক সপ্তাহ আগেই মুম্বইতে মারা যান এয়ার ইন্ডিয়ার সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন অমৃতেশ প্রসাদ। শুধুমাত্র মে মাসে মৃতদের তালিকায় রয়েছেন ক্যাপ্টেন প্রসাদ কর্মকার, ক্যাপ্টেন সন্দীপ রানা, ক্যাপ্টেন জিপি এস গিল এবং ক্যাপ্টেন হর্ষ তিওয়ারি। করোনাকালে প্রবাসী ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বন্দে ভারত মিশন ছাড়াও বেশ কয়েকটি কার্গো ফ্লাইটের দায়িত্বেও ছিলেন এই সমস্ত অভিজ্ঞ পাইলটেরা। তাদের মৃত্যুতে বর্তমানে শোকের ছায়া তাদের সহকর্মীদের মধ্যেও।

হুঁশিয়ারি পাইলট ইউনিয়নের
এদিকে পাইলটস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে হুঁশিয়ারি পাওয়ার পর অবশেষে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। তারপরেই মে মাসের মধ্যে সমস্ত বিমান কর্মীকে টিকাকরণের আওতায় আনা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। যদিও সেই এখনও বিশ বাঁও জলে। তার জেরেই নতুন করে বাড়ছে উদ্বেগ। এদিকে টিকাকরণ ও করোনা সংক্রমণের বিষয়ে পাইলটদের সংগঠনের তরফে অসামরিক বিমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছেও একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয় বলে জানা যায়।

নিরব কর্তৃপক্ষ
বিদেশ ফেরত বিমান কর্মীদের কোয়ারেন্টাইন, টেস্ট, আইসোলেশন সহ একাধিক বিষয়ে আলোকপাতের বিষয়ে সংশ্লিট দফতরের কাছে আবেদনও করা হয়। কিন্তু তারপরেও ঠেকানো যানি একের পর এক বরিষ্ঠ পাইলটের মৃত্যু। এরজন্য যদিও টিকাকরণে খামতিকেই কাঠগড়ায় তুলছে পাইলটদের সংগঠন। অন্যদিকে সংগঠনের আরও দাবি করোনা সংক্রমিত হওয়ার পরেও কর্মীরা অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে পারেননি। অথচ কর্তৃপক্ষ নিরব। তারা শুধুই মৌখিক আশ্বাস দিয়েছেন। একের পর এক সার্কুলার পেশ করে গিয়েছেন। তাতে কোনও সুরাহা হয়নি।

ক্ষোভ প্রকাশ এয়ার ইন্ডিয়ার অপারেশন ডিরেক্টরের
অন্যদিকে এয়ার ইন্ডিয়ার অপারেশন ডিরেক্টর আর এস সাধু সংশ্লিষ্ট দফতরে লেখা চিঠিতেও কার্যত একই অভিযোগ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।তাঁর দাবি ফ্লাইং ক্রুদের জন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা নেই, জীবন বিমাও নেই। অতিমারীর কারণে বর্তমানে তাদের বেতনের একটা বড় অংশ কেটে নেওয়া হচ্ছে। কাজেই করোনা ভ্যাকসিন ছাড়া কোনও ভাবেই জীবনের ঝুঁকি নেওয়ার মতো অবস্থায় তারা নেই।












Click it and Unblock the Notifications