পকেটমার হইতে সাবধান! পলকে হাপিস হয়ে যাচ্ছে পার্স-ফোন- ATM কার্ড, রামলালার দরবারে হুলুস্থূল কাণ্ড
রাম মন্দিরের দরজা খুলতেই যেন জনজোয়ার আছড়ে পড়েছে। প্রথম দিনেই ৫ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল রামলালার মন্দিরে। ভিড় সামাল দিতে হিমসিম খাচ্ছে পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীরা। তবে এই ভিড় যেন শাপে বর হয়েছে পকেটমারদের কাছে।
ভিড়ের ঠেলাঠেলির সুযোগ নিয়ে পলতে টাকা, এটিএম কার্ড, মোবাইল ফোন হাপিস হয়ে যাচ্ছে। এককথায় রাতারাতি অযোধ্যা পকেটমারদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। পকেটমাররা বিশেষ করে মহিলা এবং প্রবীণ-বৃদ্ধদের টার্গেট করছে। যাঁরা হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে মন্দির দর্শনে আসছেন তাঁদের বেশি করে টার্গেট করা হচ্ছে। কারণ ভিড়ের মধ্যে নিজেদের সামলাতে গিয়ে ব্যাগের দিকে তেমন খেয়াল রাখছেন না মহিলারা আর এই সুযোগে টাকা মোবাইল ফোন, এটিএম কার্ডি হাপিস করে ফেলছে পকেটমাররা।

ইতিমধ্যেই পুলিশের খাতায় কয়েকশো অভিযোগ জমা পড়ে গিয়েছে। সবে ২ দিন হল মন্দিরের দরজা সাধারণের জন্য খুলেেছ। অনেকেই অভিযোগ জানিয়েছেন শুধু টাকা মোবাইল ফোন নয়। তার সঙ্গে ভোটার কার্ড, আধার কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স চুরি হয়ে গিয়েছে। মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে বেরিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেছেন অনেকেই।
হঠাৎ করে পকেটমারদের এই রমরমা কাণ্ডে টনক নড়েছে যোগী সরকারেরএও। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যসচিব রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পুলিশকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে আকাশ পথে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন। কেন এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রথম দিনে মন্দির খোলার আগে ভোর ৩ টে থেকে দর্শনার্থীরা লাইন দিয়েছিলেন। তীব্র হুড়েহুড়িতে প্রায় পদপিষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করতে হয় পুলিশকে। দিলে ৪ থেকে ৫ লক্ষ পুণ্যার্থী আসছেন দর্শনে। ১ কিলোমিটার পর্যন্ত লম্বা লাইন পড়ছে ভোর রাত থেকে। সকাল ৭টা থেকে খুলছে মন্দিরের দরজা। বেলা ১১.৩০ মিনিট পর্যন্ত খোলা থাকছে মন্দির। তারপরে আবার দুপুর ২টো থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত মন্দিরের দরজা খোলা থাকছে। দুপুর একটা থেকে ৩টে পর্যন্ত মন্দির বন্ধ রাখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications