৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড মোকাবিলায় সফল ফাইজার, ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সাফল্যের কথা জানাল সংস্থা
৫-১১ বছরের শিশুদের কোভিড মোকাবিলায় সফল ফাইজার, ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সাফল্যের কথা জানাল সংস্থা
থার্ড ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগে শিশুদের করোনা টিকা নিয়ে বড় খবর শোনাল ফাইজার। ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের ক্ষেত্রে ফাইজারের ক্লিনিকাল ট্রায়াল সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থা। কাজেই করোনার থার্ড ওয়েভ আসার আগে শিশুদের সুরক্ষিত রাখার উপায় শীঘ্রই হাতে চলে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারী সংস্থা ফাইজার এবং বায়োএনটেক দাবি করেছে ৫ থেকে ১১ বছরের শিশুদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ এই ভ্যাকসিন। ইতিমধ্যেই জার্মানিতে ড্রাগ কন্ট্রোলারের কাছে অনুমোদনের আবেদন জানিয়েছে।

করোনার থার্ড ওয়েভে সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত হবে শিশুরা। এমনই সতর্ক করেছেন গবেষকরা। তারপরেই শিশুদের করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়ালে সবচেয়ে বেশি তৎপর হয়েছে সব দেশ। ভারতে ইতিমধ্যেই কোভ্যাক্সিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে। এইমস সহ একাধিক হাসপাতালে ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে কোভ্যাক্সিনের শিশুদের করোনা টিকার। ফাইজারও শিশুদের টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালাচ্ছিল।
তারপরেই ফাইজার সুখবর দেয়। ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল সফল হয়েছে। ফাইজারের তরফে জানানো হয়েছে তাঁদের করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এখন অনেকটাই কম। সংস্থার দাবি অপেক্ষাকৃত কম মাত্রার করোনা টিকা দেওয়া হত শিশুদের। জার্মানি, ইউরোপ, আমেরিকা সহ সব দেশে ভ্যাকসিনের ক্লিনিকাল ট্রায়াল হচ্ছিল। জার্মানি সরকারের কাছে ইতিমধ্যেই ভ্যাকসিনের জন্য অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।
করোনার থার্ড ওয়েভ আসার আগে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে বিশ্বের সব দেশেই। ভারতে এরমধ্যেই করোনা ভ্যাকসিনে ৮০ কোটি ডোজ প্রয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চলছে। সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই শিশুদের করোনা টিকার ক্লিনিকাল ট্রায়াল শেষ হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল সেপ্টেম্বর মােসর মধ্যেই শিশুদের করোনা টিকা চলে আসবে ভারতে। সেই মত দ্রুত গতিতে কাজ হচ্ছে। ফাইজারের সাফল্যের পর শিশুদের করোনার থার্ড ওয়েভের আগে সুরক্ষিত রাখার পথ মিলেছে।
করোনার প্রকোপের মধ্যেই আবার শিশুরা ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে রাজ্যে। উত্তরবঙ্গ এবং কলকাতার একাধিক হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন শিশু মারাও গিয়েছে। মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হত কয়েকদিন। জলপাইগুড়িকে আরও কয়েকজন শিশু মারা গিয়েছে। অন্যদিকে আবার করোনা সংক্রমণের খবর মিলেছে জলপাইগুড়িতে। সেখানে শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক শিশু।












Click it and Unblock the Notifications